1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Editor :
বন্ধ হয়ে গেছে সিলিক ভ্যালি ব্যাংক - বাংলা টাইমস
রবিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৩, ০৩:১১ অপরাহ্ন

বন্ধ হয়ে গেছে সিলিক ভ্যালি ব্যাংক

বাংলা টাইমস ডেক্স
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১১ মার্চ, ২০২৩
  • ২৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

বন্ধ হয়ে গেছে প্রযুক্তি খাতের অন্যতম- সিলিকন ভ্যালি ব্যাংক। শুক্রবার এর নিয়ন্ত্রণ নেয় যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ২০০৮ সালের পর মার্কিন ব্যাংক খাতে এটাই সবচেয়ে বড় বিপর্যয়।

 

সিলিকন ভ্যালি ব্যাংক আমেরিকার এমন এক ব্যাংক, যারা প্রযুক্তি খাতের কম্পানিতে ব্যাপক হারে বিনিয়োগ করে আসছে। তবে, বেশ কিছুদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাত সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

এরই প্রভাব পড়েছে এই ব্যাংটির ওপর। তারল্য সংকটে দেউলিয়া হওয়ার অবস্থায় পৌঁছে গেলে বিনিয়োগকারী ও শেয়ার মালিকদের মধ্যে দেখা দেয় শঙ্কা। তারা টাকা তুলে নেওয়ায় পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছিল।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায় যে, সিলিকন ভ্যালি ব্যাংক আমেরিকার অর্ধেকের বেশি স্টার্ট-আপ ভেঞ্চার কম্পানিতে বিনিয়োগ করেছে। এই ব্যাংকের মোট সম্পদের পরিমাণ এক পর্যায়ে ২১২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায় এবং ব্যাংকের বাজার মূলধনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৪ বিলিয়ন ডলার। এমন সফলতার কারণে ব্যাংকটি আমেরিকার ব্যাংকিং খাতে ১৬তম স্থান দখল করে একটি সুপ্রতিষ্ঠিত ব্যাংক হিসেবে পরিচিতি পায়।

বিগত বেশ কিছুদিন ধরে আমেরিকার প্রযুক্তি খাত ভয়ানক খারাপ অবস্থার মধ্য দিয়ে চলছে, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে এই সিলিকন ভ্যালি ব্যাংকসহ অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওপর। স্টার্ট-আপ ভেঞ্চার প্রযুক্তি কম্পানির খারাপ অবস্থার করাণে সিলিকন ভ্যালি ব্যাংকের সম্পদের মান খারাপ হতে থাকে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে এই ব্যাংক খুবই নিম্নমানের দুর্বল বন্ড পোর্টফলিওতে প্রায় ৯১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে, যার বিপরীতে সম্ভাব্য ক্ষতির (আনরিয়ালাইজড লস) পরিমাণ প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলার। সব কিছু মিলিয়ে আমেরিকার মধ্যম শ্রেণির সুপ্রতিষ্ঠিত এই ব্যাংক মারাত্মক আর্থিক সংকটে পড়ে যায়।

আর এই খবরে ব্যাংকের সাধারণ বিনিয়োগকারী এবং শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং এই বিনিয়োগ থেকে দ্রুত বের হয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে এক ধরনের প্যানিক সেল শুরু হয়। ফলে সিলিকন ভ্যালি ব্যাংকের শেয়ারে ব্যাপক দরপতন ঘটে এবং এই ব্যাংকের বাজার মূলধন ৪৪ বিলিয়ন ডলার থেকে হ্রাস পেয়ে ১৭ বিলিয়ন ডলার নেমে আসে।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে সংঘটিত অর্থনৈতিক মন্দার ধকল কাটিয়ে ওঠার পর থেকে আমেরিকার অর্থনীতির মন্দার সম্মুখীন না হওয়া এবং সেই সঙ্গে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে এই প্রযুক্তি খাতের উল্লেখযোগ্য অবদান। দেড় যুগ ধরে আমেরিকায় একটি ধারণা একরকম প্রতিষ্ঠিত সত্য হয়ে আছে যে আমেরিকার অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হচ্ছে পাঁচটি বৃহৎ প্রযুক্তি কম্পানি এবং সেগুলো হচ্ছে—১. ফেসবুক, ২. অ্যামাজান, ৩. অ্যাপল, ৪. নেটফ্লিক্স এবং ৫. গুগল।

কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরে এই বৃহৎ প্রযুক্তি কম্পানিগুলো খুব খারাপ অবস্থার মধ্য দিয়ে চলছে, যার নেতিবাচক প্রভাবে এরই মধ্যে তাদের শেয়ারমূল্য পড়তে শুরু করেছে। অ্যাপলের শেয়ারমূল্য হ্রাস পেয়েছে ২৫ শতাংশ, ফেসবুকের প্যারেন্ট কম্পানি মেটা প্ল্যাটফরমের শেয়ারমূল্য হ্রাস পেয়েছে ৬৫ শতাংশ এবং অ্যামাজানের শেয়ারমূল্য হ্রাস পেয়েছে ৪৯ শতাংশ।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট