1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Editor :
ছাড় পেলো মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আনা ৭৭০ টন ধূলো - বাংলা টাইমস
বৃহস্পতিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৪:০৬ অপরাহ্ন

ছাড় পেলো মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আনা ৭৭০ টন ধূলো

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ১৯৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

অবশেষে কাস্টমসের ছাড়পত্র পেয়েছে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে আমদানিকৃত ২৭০০ মেট্টিক টন গুড়া পাথরের মধ্যে ৭৭০ মেট্টিক টন ধূলো (ডাস্ট) ।

 

সোমবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল থেকে কাস্টমসের ছাড় পাওয়া ডাস্ট গুলো খালাসের কার্যক্রম শুরু করে স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট খলিফা এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধির লোকেরা।

দীর্ঘ ২ মাস ১০দিন ধূলোগুলো আখাউড়া স্থলবন্দরে পড়ে ছিল। এর ফলে আমদানিকারকদের ২১ লাখ ৪৮ হাজার টাকা মাসুল গুনতে হয়েছে। স্থল বন্দর সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ১৩ নভেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে প্রথমবারের মতো মতো চূর্ণ পাথর ঘোষণা দিয়ে আমদানি করা হয়। কয়েক দফায় মোট ২৭০০ মেট্টিক টন চূর্ণ পাথর আমদানি করে ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এফকনস ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড। এই প্রতিষ্ঠানটি আশুগঞ্জ নদীবন্দর থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত মহাসড়ক চারলেনে উন্নীত করার কাজের জন্য পাথর আমদানি করেছে। এগুলো বন্দর থেকে ছাড়ানোর কাজ পায় আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাকজিল খলিফা কাজলের মালিকানাধীন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট খলিফা এন্টারপ্রাইজ। চূর্ণ পাথর প্রথমবার আমদানি হওয়ায় পরীক্ষা- নিরীক্ষার পর ছাড়পত্র দেওয়ার কথা জানায় কাস্টমস।

পরবর্তীতে পরীক্ষা করে জানা যায় মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ভারত থেকে পাথরের বদলে ডাস্ট আনা হয়েছে। স্থলবন্দরে আটকে দেওয়া হয় ডাস্টগুলো। এতে প্রতিদিনই বন্দর কর্তৃপক্ষকে মাশুল বাবদ ৩৬ হাজার টাকা দিতে হয়
আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে।

এ ব্যাপারে সিএন্ডএফ এজেন্ট খলিফা এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি মোঃ মোজাম্মেল হক জানান, আমরা যখন ২ মাস ১০ দিন আগে এলসির পুরো চালান ২৭০০ মেট্টিক টন গুড়া পাথর আমদানি করি। আমদানির পর কাস্টমস থেকে আমাদেরকে জানানো হয় এই বন্দর দিয়ে এই পাথর আমদানির অনুমোদন নেই। এরপর থেকে কস্টমসের নানা জটিলতায় গুড়া পাথর গুলো বন্দরে আটকে পরে। পরবর্তীতে (এনবিআর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে প্রথম চালানের ৭৭০ মেট্টিক টন গুড়া পাথর খালাসের অনুমোদন দেয়া হয়। তারপরও আমাদের ১৯ ৩০ মেট্টিক টন গুড়া পাথর রয়ে যাবে। যার জন্য আমাদেরকে ২ মাস ১০ দিনে বন্দর মাশুল দিতে হয়েছে ২১ লাখ ৪৮ হাজার টাকা । এতে করে আমাদের অনেক আর্থিক লোকসান গুনতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে আখাউড়া স্থল শুল্ক স্টেশনের উপ-কমিশনার আবু হানিফ মোহাম্মদ আবদুল আহাদ বলেন, চূর্ণপাথর আমদানির অনুমতি না থাকায় ছাড়পত্র দেয়া হয়নি। তবে চারলেন মহাসড়ক প্রকল্পের হওয়ায় এনবিআর বিশেষ ক্ষমতায় শর্তসাপেক্ষে ৭৭০ টনের ছাড়পত্র দিয়েছে। বাকিগুলোর জন্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান থেকে এনবিআরে আবেদন করেছে।

এ ব্যাপারে আখাউড়া স্থলবন্দরের সুপারিন্টেন্ডেন্ট মোঃ সামাউল ইসলাম জানান, ২৭০০ মেট্টিক টন গুড়া পাথরের মধ্যে ৭৭০ মেট্টিক টন গুড়া পাথর অনুমোদন পাওয়ায় স্থানীয় সি এন্ড এফ এজেন্টের প্রতিনিধিরা সকাল থেকে খালাসের কার্যক্রম শুরু করেছে। এতে করে ২ মাস ১০দিনে বন্দর মাশুল ফি আদায় হয়েছে ২১ লাখ ৪৮ হাজার টাকা।

উল্লেখ্য, আমদানি হওয়া পাথরগুলো ভারতীয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এফকন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড প্রতি টন ১৩ মার্কিন ডলারে আমদানি করছে স্থলবন্দরের সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট মেসার্স খলিফা এন্টারপ্রাইজ আমদানিকৃত পাথরের কাস্টমস ক্লিয়ারিংয়ের কাজ করছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট