1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Editor :
বিশ্ব ইজতেমায় যোগ দিতে আসছেন ভারতীয় মুসল্লিরা - বাংলা টাইমস
বৃহস্পতিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৩:০০ অপরাহ্ন

বিশ্ব ইজতেমায় যোগ দিতে আসছেন ভারতীয় মুসল্লিরা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ৪৬৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

প্রথম পর্ব শুরু ১৩ জানুয়ারি মুসলিম জাহানের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় জমায়েত বিশ্ব ইজতেমায় যোগ দিতে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের (পূর্বোত্তর ভারত) বিভিন্ন রাজ্যের বিপুল সংখ্যক মুসল্লি আসছেন বাংলাদেশে। গত সোম ও মঙ্গলবার (১০জানুয়ারি) বিকেল পর্যন্ত প্রায় শতাধিক ভারতীয় মুসল্লিরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন।

 

ভারতীয় মুসল্লিরা আখাউড়া স্থলবন্দর থেকে বাস কিংবা আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশন থেকে ট্রেনযোগে টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমার ময়দানে যাচ্ছেন।

তুরাগ তীরে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্ব ইজতেমা। ইজতেমার প্রথম পর্ব আগামী ১৩ জানুয়ারি শুরু হয়ে চলবে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। ইজতেমাকে সফল করতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি, জড়ো হচ্ছেন মুসল্লিরা। ৫৬তম বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে । শুক্রবার ফজর বাদ আমবয়ানের মধ্যদিয়ে শুরু হবে প্রথম পর্বের এ বিশ্ব ইজতেমা।

১৫ জানুয়ারি রোববার ১ম পর্বের আখেরি মোনাজাত এবং মাঝে ৪ দিন বিরতি দিয়ে এরপর ২০ থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় পর্ব। ইজতেমাকে কেন্দ্র করে টঙ্গীর তুরাগ তীরে চলছে জোর প্রস্তুতি। এরই মধ্যে ইজতেমা ময়দানের প্রায় ৯৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে আয়োজক সূত্র।

আখাউড়া স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা গেছে, বিদেশি মুসল্লিদের অভ্যর্থনা জানানো, থাকা-খাওয়া ও ঢাকায় পাঠানোসহ সব কাজ দ্রুত করার জন্য তাবলিগ জামায়াতের ঢাকার কাকরাইল মসজিদ থেকে একটি প্রতিনিধি দল আখাউড়া স্থলবন্দরে অবস্থান করছেন। তারা প্রতিদিন ভোর থেকে রাত পর্যন্ত আগত মুসল্লিদের সার্বিক সহযোগিতা করবেন।

এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের পক্ষ থেকেও স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন এলাকায় ভারতীয় থেকে মুসল্লিদের নাস্তা-পানি দিয়ে আপ্যায়নের ব্যবস্থা করেছেন। সোমবার (১০জানুয়ারি)সকাল থেকে স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশ আগত মুসল্লিদের এ সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

এ ব্যাপারে ইজতেমার সার্বিক কাজ সম্পন্ন হয়েছে জানিয়ে ইজতেমা ময়দানের তাবলিগ জামায়াতের মুরব্বি মাহফুজুর রহমান বলেন, বিশ্ব ইজতেমার সব প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। ১২ জানুয়ারির মধ্যেই দেশ-বিদেশের লাখ লাখ মুসল্লি ইজতেমা মাঠে তাদের জন্য নির্ধারিত খিত্তায় অবস্থান নেবেন।

তাবলিগ জামায়াতের এ মুরব্বি আরও জানান, বিশ্ব ইজতেমা সফল ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন এবং দ্বীনের মেহনত কায়েমের লক্ষ্যে জোড়-ইজতেমায় যোগদানে আখাউড়া-আগরতলা এবং বেনাপোল স্থলবন্দর সীমান্তসহ বিভিন্ন সীমান্ত পথে দলে দলে ভারতীয় মুসল্লিরা বাংলাদেশে আসছেন।

ভারতের আসাম রাজ্যের লখিমপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব ও মঙ্গলবার বাংলাদেশে আসা আসাম মুসল্লিদের আমির মাওলানা মোহাম্মদ নূরুল্লাহ,হাজী ইয়াকুব উসমান, মাওলানা মোসাদ্দেক হোসেন বলেন, বাংলাদেশের ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে পুলিশের আতিথেয়তায় সত্যিই আমরা মুগ্ধ। এ আপ্যায়ন ও সহযোগিতা আমাদের মনে থাকবে।

এ ব্যাপারে আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ স্বপন চন্দ্র দাস বাংলা টাইমসকে বলেন, হঠাৎ ইজতেমাগামী মুসল্লিদের আগমনে চাপ বেড়ে গেছে। তবে একটু বাড়তি চাপ থাকলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

এর আগে শুক্রবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ময়দানে এসে ইজতেমার প্রস্তুতিমূলক পর্যালোচনা সভায় যোগ দেন। সেখানে তিনি আইনশৃঙ্খলাসহ ইজতেমা সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় প্রস্তুতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ইজতেমার প্রথম পর্ব পরিচালনা করবেন জোবায়ের গ্রুপ আর দ্বিতীয় পর্ব সাদ গ্রুপ। দুই গ্রুপের মধ্যে নতুন করে কোনো ধরনের ভুল বোঝাবুঝি হওয়ার কিছু নেই।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ইজতেমা ময়দানের বিভিন্ন দিক নিয়ে দফায় দফায় পর্যালোচনা করেছেন। মুসল্লিদের নিরাপত্তা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থা ঠিক রাখার জন্য নানা পরিকল্পনা করছেন। বিশেষ করে টঙ্গী ব্রিজ থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার সড়কে সবধরনের যানবাহনকে দ্রুত পার করে দেওয়াটাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার মো. আলমগীর হোসেন।

ইজতেমা উপলক্ষে গাজীপুরের টঙ্গীতে ১৬০ একরের বিস্তৃত ময়দানে বিশাল শামিয়ানা টানানোর কাজ প্রায় শেষ। তুরাগ নদে সেনাবাহিনীর সদস্যরা তৈরি করছে পল্টুন। যা দিয়ে সাময়িকভাবে মুসল্লিরা এপার থেকে ওপার যাতায়াত করতে পারবেন। বিশাল ময়দানে খিত্তাভিত্তিক চলছে মাইক বাঁধা এবং বৈদ্যুতিক তার ও বাতি টানানোর কাজ।

শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বাংলা টাইমসকে জানান, আগত মুসল্লিদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ঢাকা থেকে এ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ টিম কাজ করবে। রোগী পরিবহনের জন্য সার্বক্ষণিক ১৪টি অ্যাম্বুলেন্স মোতায়েন থাকবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট