1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Editor :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে চুরি - বাংলা টাইমস
বৃহস্পতিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০২:৩৮ অপরাহ্ন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে চুরি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ২৩৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকারের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে (ব্রাহ্মণবাড়িয়া সমাজকল্যান সংসদ ভবন) চুরির ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে কার্যালয়ের রক্ষণাবেক্ষনের দায়িত্বে থাকা কেয়ারটেকার মোঃ ওসমান বাদি হয়ে সদর থানায় এই মামলা দায়ের করেন। তবে আজ শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত পুলিশ  এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

 

এর আগে গত বুধবার রাতের যে কোন সময়ে শহরের ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে অবস্থিত আল-মামুন সরকারের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে চুরি হয়।

চোরেরা কার্যালয়ের টিনের চালা কেটে ভেতরে প্রবেশ করে  কার্যালয়ের দুটি আলমারি ও দুটির ফাইল কেবিনেটের লকার ভেঙ্গে নগদ ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা ও  জেলা আওয়ামীলীগের কিছু গুরুত্বপূর্ন নথি চুরি করে নিয়ে যায়।

কার্যালয়ের কেয়ারটেকার মোঃ ওসমান বলেন, গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে কার্যালয় খুলে দেখেন মধ্যের রুমের ওপরের সিলিং ও ঢেউটিন কাটা। ভেতরে ঢুকে স্টীলের আলমারির দরজা খোলা চোখে পড়ে। আলমারি ও ফাইল কেবিনেট ছয়টি প্রতিষ্ঠানের নগদ টাকা, গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ফাইল চুরি করে নিয়ে যায় চোরেরা। সেখানে জেলা আওয়ামী লীগের পাঁচটি ফাইল ও দলীয় খরচের অনেক ভাইচার ছিল।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আল মামুন সরকারের ব্যক্তিগত কার্যালয় থেকে মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ, ভারত-বাংলাদেশ  সম্প্রীতি পরিষদ, সুইড বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যান সমিতি, সমাজকল্যান সংসদের সকল গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ও জেলা আওয়ামীলীগের গুরুত্বপূর্ন ফাইল ও নথিপত্র চুরি হয়েছে।

কার্যালয়ে এসব সংস্থার থাকা প্রায় ছয় লাখের বেশি টাকা চুরি হয়েছে। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদের ছিল ১ লাখ ৯০ হাজার।

এ ব্যাপারে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আল-মামুন সরকার বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্প্রীতি পরিষদসহ জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় দলিলপত্র, নেতাকর্মীদের জীবন বৃত্তান্তসহ দলীয় অনেক গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র চুরি হয়েছে। তিনি বলেন, এটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহনের আগের রাতের এই ঘটনা আমাকে মানসিকভাবে পীড়ন দিচ্ছে। একটি মহল পরিকল্পিভাবে এমন করেছে বলে ধারণা করছি।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমরানুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বাংলা টাইমসকে বলেন, চুরির ঘটনায় মামলা হয়েছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি।

উল্লেখ্য এর আগে গত বছরের ২৮ মার্চ হেফাজতের তান্ডবের সময় এই কার্যালয়টি পুড়িয়ে দেয় হেজাজতের নেতা-কর্মীরা। পরে এই কার্যালয়টি নতুনভাবে নির্মান করা হয়।

 

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট