1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Editor :
ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতেই মা ও দুই সন্তানকে হত্যা - বাংলা টাইমস
বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন

ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতেই মা ও দুই সন্তানকে হত্যা

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৩ অক্টোবর, ২০২২
  • ৮০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে মা ও দুই সন্তান হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মামলার আসামি আইয়ুব আলী ওরফে সাগরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি উল্লাপাড়া উপজেলার নন্দিগাঁতী গ্রামের মৃত মোকছেদ মোল্লার ছেলে। সোমববার (২ অক্টোবর) দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই ট্রিপল মার্ডারের ঘটনার বর্ণনা দেন পুলিশ সুপার মো. আরিফুর রহমান মণ্ডল।

 

তিনি বলেন, ১ অক্টোবর (বুধবার) বিকেলে বেলকুচি উপজেলার ধুকুরিয়া বেড়া ইউনিয়নের মবুপুর গ্রামে ঘর থেকে রওশনারা (২৯), তার দুই ছেলে জিহাদ (১০) ও মাহিন (৩) এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত রওশন আরার ভাই নুরুজ্জামান জামাল বাদী হয়ে বেলকুচি থানায় মামলা হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর রহস্য উদঘাটনে পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের একটি চৌকস টিম গঠন করা হয়।

রোববার (২ অক্টোবর) রাত ১২টা দিকে উল্লাপাড়া উপজেলার নন্দিগাঁতী গ্রামের নিজ বাড়ির সামনে থেকে আসামি আইয়ুব আলী ওরফে সাগরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার বলেন, গ্রেপ্তারের পর তাঁতশ্রমিক আইয়ুব আলী ওরফে সাগর জানান, তাঁতের পেশার আয় দিয়ে সংসার না চলায় গত দেড় বছরের মধ্যে চারটি এনজিও থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ক্ষুদ্র ঋণ নেন তিনি। সংসার চালানোর পাশাপাশি ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন। এ নিয়ে হতাশাগ্রস্থ হয়ে তার সৎ ভাগনি রওশন আরার দ্বারস্থ হন। গত ২৬ সেপ্টেম্বর তিনি রওশন আরার কাছে এসে টাকা ধার চান। কিন্তু রওশন আরা বলেন, তার কাছে টাকা নেই। আসামি আইয়ুব আলী রওশন আরার ঘরে থাকা চারটি ট্রাঙ্ক দেখে ধারণা করেন এর ভেতরে টাকা আছে। তাই তিনি চুরির সিদ্ধান্ত নেন।

গত ২৮ সেপ্টেম্বর আবারও তিনি ভাগনি রওশনার বাড়িতে আসেন। রাতে তাদের বাড়িতে থেকেও যান। সবাই একসঙ্গে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ার পর আইয়ুব আলী চাবি নিয়ে ট্রাঙ্কের বাক্স খুলে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। এক পর্যায়ে রওশনারা নাড়াচাড়া করলে, আইয়ুব আলী ভাবেন হয়তো চুরি দেখে ফেলেছন তিনি। তখনই পাথরের শীল দিয়ে ভাগনির বুকে সজোরে আঘাত ও পরবর্তীতে গলাটিপে হত্যা করেন। তারপর তিন বছর বয়সী ছোট শিশু মাহিন জেগে উঠলে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন এবং অপর শিশু জিহাদ জেগে উঠলে তাকেও শ্বাসরোধ করে হত্যা করে আইয়ুব। টাকা-পয়সা না পেয়ে দরজায় শিকল দিয়ে নিজ বাড়িতে পালিয়ে যান।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট