1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Editor :
পাহাড়ি ছড়া থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন - বাংলা টাইমস
রবিবার, ২২ মে ২০২২, ০১:২১ অপরাহ্ন

পাহাড়ি ছড়া থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২২
  • ১৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

কমলগঞ্জ উপজেলা অধীনে আলীনগর ইউনিয়নের আলীনগর চা বাগানের ফাঁড়ি বাগান কামারছড়ার পাহাড়ি ছড়া থেকে প্রতি নিয়ত অবৈধ ও অপরিকল্পিত ভাবে বালু তুলছে একটি চক্র।

 

এভাবে বালু তুলায় চা বাগানের প্লান্টেশন টিলার ক্ষতির সাথে ট্রাক ও ট্রলি দিয়ে পরিবহনে বাগানের আভ্যন্তরিক সড়কেরও ক্ষতি হচ্ছে। বারবার প্রশাসনকে অবহিত করে সহায়তা চাওয়ার পরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে বালু তুলার সাথে সক্রিয় চক্রটি এখন চা বাগানের সহকারী ব্যবস্থাপককে নানাভাবে হুমকি প্রদান করছে বলে জানা যায়।

কমলগঞ্জের আলীনগর চা বাগানের ফাঁড়ি সুনছড়া ও কামারছড়া চা বাগানের পাহাড়ি সুনছড়া ও কামারছড়া থেকে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র বালু উত্তোলন করছে। এর মাঝে কামারছড়া থেকে সম্পূর্ণরূপে অপরিকল্পিতভাবে বালু তুলায় ছড়া তীরবর্তী চা প্লান্টেশন টিলায় ধস নেমেছে। পর্যায়ক্রমে ধস নেমে প্লান্টেশন টিলা এখন হুমকির মূখে। আবার ছড়া থেকে তোলা বালু ট্রাক ও ট্রলি দিয়ে চা বাগানের আভ্যন্তরিন রাস্তায় পরিবহন করায় বাগানের রাস্তারও ক্ষতি সাধন হচ্ছে।

এ বিষয়ে আলীনগর চা বাগানের ব্যবস্থাপক দুইবার লিখিতভাবে জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার পুলিশ কর্মকর্তাকে অবহিত করে বালু তুলা বন্ধের সহায়তা কামনা করেছিলেন। এর পরও কামারছড়া বালু তুলা বন্ধে এখন পর্যন্ত প্রশাসন কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি।

সম্প্রতি সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, ৮ থেকে ১০ জন বালু শ্রমিকরা কামারছড়া থেকে বালু উত্তোলন করে ট্রাক ও ট্রলিতে দিচ্ছে। আলাপকালে তারা নিজেদের নাম প্রকাশ না করে জানায় কালিছলি গ্রামের রসিদ উল্যা, ইব্রাহিম আলী, আবুল হোসেনসহ কয়েকজনের নিয়োগে তারা ছড়া থেকে বালু তুলার কাজ করছেন। প্রতিদিন গড়ে ৮ থেকে ১০ ট্রাক বালু পরিবহন করা হয় বলেও তারা জানান। এসব বালু বিভিন্ন স্থানে স্থাপনা নির্মাণ কাজে পরিবহন করা হচ্ছে বলেও তারা জানান।

সরেজমিন নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র জানায়, বালু উত্তোলনকারী চক্রের সদস্যদের নামে হত্যা মামলাসহ একাধিক বন মামলাও রয়েছে। তাদের অনেকেই আবার চা বাগানের পাহারার সাথে যুক্ত রয়েছে। চা বাগান কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে তাদেরকে দিয়েই সে এলাকার চা বাগান পাহারা দিতে হয়।

কমলগঞ্জ আলীনগর চা বাগানের ব্যবস্থাপক হাবিদ আহমদ চৌধুরী বলেন, গত ১০ জুন ও ২৬ জুন দুইবার মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করেছিলেন। যার অনুলিপি তিনি পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার পুলিশ কর্মকর্তাকে দিয়েছিলেন। তাছাড়া মুঠোফোনেও কয়েক দফা জানিয়েছেন। তার পরও কামারছড়া থেকে বালু তুলা বন্ধে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

ব্যবস্থাপক হাবিব আহমদ চৌধুরী আরও বলেন, কামরারছড়া থেকে অবৈধ ও অপরিকল্পিতভাবে বালু তোলায় আপত্তি জানানোয় তার সহকারি ব্যবস্থাপককে চক্রটি নানাভাবে হুমকি দেয়।

তবে অভিযোগ সম্পর্কে রসিদ উল্যা বলেন, তিনি বা তার লোকজন কামারছড়া থেকে বালু উত্তোলন করছেনা না ও বালু ব্যবসার সাথে যুক্ত নন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক কামারছড়া থেকে অবৈধ ও অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট