1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Editor :
মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশ ::
...Welcome To Our Website...

বেওয়ারিশ কুকুরের উৎপাত বেড়েছে

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৩৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকায় মাত্রাতিরিক্ত হারে বেড়েছে বেওয়ারিশ কুকুরের উৎপাত। বিশেষ করে ফাঁকা রাস্তা ও বাজার এলাকাগুলোতে বেওয়ারিশ কুকুরের উৎপাত বেশি। দিনেও যেমন বিচরণ রাতেও তেমন। বেওয়ারিশ এ সব কুকুর যেন পথচারীদের মূর্তিমান আতঙ্ক। এসব কুকুরের কামড় ও আচড়ে জলাতঙ্কে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

 

সম্প্রতি জেলা শহরের স্কুল-কলেজ রোড, পাঠানপাড়া পশ্চিম, বাতেন খাঁ মোড়, সেন্টু মার্কেট এলাকা, কাঁঠালবাগিচা, হুজরাপুরসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে কুকুরের উৎপাত দেখা গেছে। দিনের বেলাও শহরের বিভিন্ন স্থানে কুকুরের উৎপাত বেড়ে গেছে। রাতে বাড়ি ফেরার পথে অনেক সময়ই কুকুরের দল বসে থাকে, সেসময় অনেককে ভয় লাগে। এই রকম অভিজ্ঞতা অনেক পথচারির হয়েছে। এলাকাবাসীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, যত্রতত্র কুকুরের আনোগোনায় পথচলা মুশকিল হয়ে পড়েছে। উচ্চ আদালত থেকে কুকুর নিধনে নিষেধাজ্ঞা থাকায় পথচারীরা সমস্যায় পড়েছে।

ফলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা কুকুর নিধন করতে পারছে না। বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্কে রয়েছেন তারা। দিনের বেলাও শহরের বিভিন্ন স্থানে কুকুরের উৎপাত বেড়ে গেছে। এমনকি রাতে বাড়ি ফেরার পথে অনেক সময়ই কুকুরের দল বসে থাকে, সেসময় ভয় লাগে। এই রকম অভিজ্ঞতা অনেক পথচারির হয়েছে।

একদিকে কামড়ানোর আশঙ্কা অন্যদিকে খাবার নষ্ট করাসহ রাতের বেলায় সংঘবদ্ধ কুকুর দলের চিৎকার-চেঁচামেচিতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটছে। চিকিৎসকরা বলছেন, কুকুরের কামড়ে সংক্রমণ, টিটেনাস রোগের আশঙ্কা থাকে। শিশুদের নাক-মুখে কুকুর কামড়ালে ৭০ থেকে ৮০ ভাগ ক্ষেত্রেই তারা মারা যায়। কুকুরের কামড়ে বা আঁচড়ে (রক্ত বের না হলেও) জলাতঙ্ক রোগ বেশি হয়।

তাদের মতে, শরীরের কোন অংশে কামড় বা আঁচড় দিয়েছে, তার মাত্রার ওপর নির্ভর করে কতদিনে জলাতঙ্ক দেখা দেবে। সাধারণত এক সপ্তাহ থেকে তিন মাসের মধ্যে লক্ষণ দেখা দেয়। শরীরের নিচের অংশে কামড় বা আঁচড় দিলে এবং এর মাত্রা কম হলে সাত বছর সময়ের মধ্যে যেকোনো সময় জলাতঙ্কে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

এ রোগে আক্রান্ত হয়ে গেলে মানুষ সাধারণত বাঁচে না। আক্রান্ত ব্যক্তি অস্বাভাবিক আচরণ করে। ক্ষত স্থানে ব্যথা হয়, জ্বালাপোড়া করে। শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, ঢোক গিলতে গলায় ব্যথা লাগে। জ্বরও হতে পারে, খিঁচুনিও হতে পারে। মুখ দিয়ে লালা ঝরে, মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। ইচ্ছা থাকলেও পানি খেতে পারে না, বাতাস সহ্য করতে পারে না। মৃত্যুর আগে আলো দেখলে ভয় পায়। আবার পা থেকে শুরু করে পুরো শরীর অবশ হয়ে যেতে পারে।

 

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট