1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Editor :
মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন
নোটিশ ::
...Welcome To Our Website...

দেশ সেরা অ্যাওয়ার্ড পেল জাবি শিক্ষার্থী জাহিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক 
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২২
  • ১০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ক্যাম্পাসের পথশিশুদের জন্য উদ্যোগ নিয়েছেন স্কুলের। ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধে তাদের জন্য করেছেন আয়ের ব্যবস্থা। পরিবেশের সুরক্ষা ও পরিচ্ছন্ন রাখতে গড়ে তুলেছেন ‘গ্রীণ জেইউ ক্লিন জেইউ’। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনায় অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে ছিলেন তিনি। এ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পেয়েছেন ‘শেখ হাসিনা ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২০’। বলছিলাম সেচ্ছাসেবক জাহিদ হাসানের কথা। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের ৪৪ ব্যাচের শিক্ষার্থী।

 

ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার বাসনা গ্রামে তার জন্ম। সামাজিক কাজ করাই তার নেশা। পদশিশুদের কাছে যিনি অভিভাবক। জাহিদ হাসান একজন দূরদর্শী সেচ্ছাসেবক।

সামাজিক কাজের ফলাফল স্বরূপ পেয়েছেন এই অ্যাওয়ার্ড। ‘ঢাকা ওআইসি ইয়ুথ ক্যাপিটাল ২০২০’ এর অধীনে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ (অনলাইন), পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. কে আব্দুল মোমেন (এমপি), যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল (এমপি), রুশ ফেডারেশনের তাতারস্তান প্রজাতন্ত্রের যুব বিষয়ক মন্ত্রী তিমুর সলেইমানোভ, আইসিওয়াইএফ সভাপতি তাহা আয়হান এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার হোসেনের উপস্থিত ছিলেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন জাহিদ হাসানের হাতে অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন।

ক্যাম্পাসে সামাজিক সংগঠন এৎববহ ঝঁৎারাড়ৎং ইধহমষধফবংয (জিএসবি) এর সভাপতি ছিলেন তিনি। এসময় তাঁর পরিচালিত পথশিশুদের স্কুলে প্রায় চল্লিশ জনকে বিনামূল্যে পাঠ দান করা হতো। তাদের মাঝে বিনামূল্যে শিক্ষাসামগ্রী,শীতবস্ত্র ও ঈদসামগ্রী বিতরণ করতেন। এছাড়া কৃষকদের সুরক্ষাসামগ্রী ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, রক্তদান সহ বিভিন্ন সামাজিক কাজ করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে।

জাহিদ হাসান জানান, সেচ্ছাসেবী কাজের জন্য ‘মোস্ট ইন্সপায়ারিং ভলান্টিয়ার স্টোরি’ ক্যাটাগরিতে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি। প্রধানত দুটো কাজের জন্য এই অ্যাওয়ার্ড দেয়া হয়েছে। একটি ক্যাম্পাসে পথশিশুদের ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধ করে তাদের কর্মসংস্থান ও পড়ালেখার ব্যবস্থা। অন্যটি করোনাকালীন হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি ও বিনামূল্যে বিতরণের জন্য। এছাড়া করোনাকালীন এক হাজার পরিবারকে একমাসের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, বন্যা দুর্গত এলাকায় কৃষকদের সার, বীজ ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, রক্তদান সহ বিভিন্ন কাজ অ্যাওয়ার্ডের অন্তভর্ভুক্ত ছিল।

পুরস্কার পাওয়ার পর অনুভ‚তির কথা জানাতে গিয়ে বলেন, স্বীকৃতির জন্য কখনও কাজ করিনি। অসহায় মানুষদের জন্য কাজ করার মধ্যে স্বার্থকতা খুঁজে পাই। এই কাজে তৃপ্তি আছে। আর সম্মাননা আমাকে আরও ভালো কাজ করতে উৎসাহিত করবে।

জাহিদ হাসান মনে করেন যুবকরাই এদেশের ভবিষ্যত। দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি। সমাজের চলমান সমস্যাগুলোর সমাধান তারাই করতে পারবে। তারাই পারবে আমূল পরিবর্তন করতে। তিনি প্রত্যাশা করেন ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে যুবকরাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট