1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Editor :
মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশ ::
...Welcome To Our Website...

আলুর ভাল ফলনেও দিশেহারা কৃষক

সুজন কুমার মন্ডল, জয়পুরহাট
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২২
  • ২৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

জয়পুরহাটে প্রতিদিনই আলুর দাম কমছে। ভালো ফলন হলেও বাজারে দাম না থাকায় লোকসানের মুখে পড়ছেন জয়পুরহাট জেলার আলুচাষীরা। বর্তমানে স্থানীয়ভাবে প্রতি কেজি আলু পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৫-১০ টাকা। ফলে খরচের তুলনায় লোকসান বেড়ে যাওয়ায় দিশেহারা তারা।

 

জয়পুরহাট শহরের নতুনহাটে আলু বিক্রি করতে আসা চাষীরা জানান যে, বাজারে আলু প্রতি মণ ছিল ৪৫০ টাকা তা আজ বাজারে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর ২৫০ টাকার আলু ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এভাবে দিন দিন আলুর দাম কমে যাচ্ছে। রোমানা পাইকারি (লাল) বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা মণ। আর প্রতি কেজি ১০ টাকা। বট পাইকারি (লাল) মিউজিকা আলু বিক্রি হচ্ছে ৩৬০ টাকা মণ। গ্রেনোলা আলু প্রতি মণ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা।

আলুর পাইকারি ক্রেতা জহুরুল ইসলাম ও পরিতোষ কুমার বলেন, আলুর বাজার একদিন আগে যা ছিল পরের দিন তা থাকছে না। দাম হুহু করে কমে যাচ্ছে। আমরা যেসব আলু কিনছি এসব আলু ঢাকা, রাজশাহী, সিলেট, খুলনা, চট্টগ্রাম, বরিশাল সহ দেশের বিভিন্ন স্থানের মোকামে সরবরাহ করা হচ্ছে। কাঁচাবাজারের মূল্য সঠিকভাবে বলা যায় না। কিন্তু আলুর বাজার একেবারেই উঠছে না।

বাজারে গ্রানোলা আলু বিক্রি করতে আসা চাষীরা বলেন, প্রতি বিঘায় আলুর ফলন হচ্ছে ৫৮-৬০ মণ। আলু চাষে জমিতে ১৮-২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু বর্তমান বাজার হিসেবে আলু বিক্রি করলে ১২-১৫ হাজার টাকার বেশি বিক্রি করা সম্ভব নয়। এতে আমাদের কয়েক হাজার টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে। সরকারিভাবে রফতানি ও দাম নির্ধারণ করতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান তারা।

সদর উপজেলার আমদই ইউনিয়নের পলিকাদোয়া গ্রামের আলুচাষী মাসুদ রানা বলেন, জমি থেকেই আলু বিক্রি করে দিচ্ছি। আজ বাজারে ৩৭০ টাকা দরে ৮০ মণ মিউজিকা আলু বিক্রি করেছি। তবে প্রতি মণ ১০ টাকা কমে ৩৬০ টাকা দরে ৩০ মণ আলু বিক্রি করেছেন হিসমী গ্রামের মাহবুব।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য মতে, জেলায় এবার ৪০ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে আলু রোপনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৭ হাজার ১০০ হেক্টর, পাঁচবিবিতে ৭ হাজার, কালাইয়ে ১১ হাজার ১০০, ক্ষেতলালে ৯ হাজার এবং আক্কেলপুরে ৬ হাজার হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। কিন্তু ৪০ হাজার ২৮০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ করে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে।

জেলা বিপণন বিভাগের মাঠ ও বাজার পরিদর্শক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বাংলা টাইমসকে বলেন, আলুর ভরা মৌসুম চলছে। এবার আলুর ফলন ভালো হয়েছে। এজন্য আলুর দাম কম।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট