1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Editor :
মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশ ::
...Welcome To Our Website...

দর্শনার্থী কমেছে বাণিজ্য মেলায় 

নিজস্ব প্রতিবেদক 
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২২
  • ১৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

বিধি নিষেধের শুরুর দিনেই কমেছে দর্শনার্থীর সংখ্যা। গাড়ীতে অর্ধেক যাত্রী আর স্থানে স্থানে চেকপোস্টসহ কোভিড-০১৯ পরিস্থিতির ভয়াবহতা নিরসনে স্বাস্থ্য বিধি মানাতে এমন কড়াকড়ি আয়োজনের প্রভাব পড়েছে দাবী করেন মেলার ব্যবসায়ীরা। এদিকে লোকসানের কথা মাথায় রেখেই আগামী ৩১ জানুয়ারী পর্যন্ত মেলা চালিয়ে যাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মেলা কর্তৃপক্ষ।

 

সূত্র জানায়, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিবিসিএফইসি) মাসব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ২৬ তম আসরে প্রভাব পড়েছে সাম্প্রতিক ওমিক্রন ও করোনা মহামারীর বিধি নিষেধের। এতোদিন জমাজমাট বেচাকেনা চললেও করোনা পরিস্থিতি জটিল হওয়ায় সরকার জরুরি বিধি নিষেধ আরোপ করেছেন। আর তাই দর্শনার্থীর সংখ্যা অনেকটাই এখন কম।

তাই ব্যবসায়ীরা রয়েছেন চরম দুশ্চিন্তায়। এদিকে মেলার প্রবেশ পথে দায়িত্বরত আব্দুল্লাহ ঐন্টাপ্রাইজের ইনচার্জ আব্দুল জলিল মাস্টার বলেন, আগের তুলনায় এখন দর্শনার্থী কম। মেলার আগত দর্শনার্থীদের স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তার জন্য প্রবেশ পথ ছাড়াও তাদের পন্য প্রদর্শনীর জন্য স্টলে স্টলে রাখা হয়েছে মাস্ক, স্যানিটাইজর। নিরাপদ দূরত্ব রেখে, মাস্ক ব্যবহার করে মেলায় প্রবেশের জন্য মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে। তবে সরকারী ছুটির দিনে দর্শনার্থী আরো বাড়বে বলে আশা করেন তিনি।

এদিকে, করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত নতুন বিধি-নিষেধের পর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) মেলা চালিয়ে নেয়ার ঘোষণায় ব্যবসায়ীরা খুশি হলেও দর্শনার্থী কমে যাওয়ায় ফের দুশ্চিন্তার কথা জানিয়েছেন তারা।

মেলায় কাশমিরী শাল ও বস্ত্র ব্যবসায়ী ভারতীয় নাগরিক নরেন্দ্র মানসিংহ বলেন, আমরা প্রতিবছর বাণিজ্য মেলায় স্টল দেই। গত বছর বন্ধ থাকার পর এবার আশা নিয়ে স্টল সাজিয়েছিলাম। কিন্তু এখনো করোনার ধাক্কা যায়নি। ফলে লোকসান হবে। এমনকী অবিক্রীত থেকে যাবে মালামাল।

স্থানীয় বাসিন্দা ইউপি সদস্য রিটন প্রধান বলেন, প্রজ্ঞাপনে ওমিক্রনসহ করোনা শনাক্তের হার বাড়তে থাকায় মাস্ক ছাড়া রাস্তায় বের হলে জরিমানার বিধানসহ ১১ দফা বিধি-নিষেধ জারি করা হয়েছে। ওই বিধি বিধানের জন্যই দর্শনার্থী কিছুটা কম দেখা যাচ্ছে। তবে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চললে মহামারী পরিস্থিতি মোকাবেলা সম্ভব। এছাড়া মেলায় পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য সম্মত পরিবেশ সন্তোষজনক।

১৩ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) থেকে সারা দেশে এ বিধি-নিষেধ কার্যকর করা হয়।

রূপগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আতিকুল ইসলাম বাংলা টাইমসকে বলেন, সরকারী নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য শপিং মল ও বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা এবং হোটেল-রেস্তোরাঁসহ অফিস-আদালতসহ ঘরের বাইরে স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়নে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। ওই নির্দেশ পালনে মেলায়ও রয়েছে একাধিক টীম।

এদিকে রেস্তোরাঁয় বসে খেতে করোনার টিকা সনদ প্রদর্শন নির্দেশনা ঘিরে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। মেলায় ঘুরতে আসা মধুখালীর বাসিন্দা শিক্ষার্থী ইমলা মুহান্না বলেন, নির্দেশনা বাস্তবায়ন হওয়ায় খাবার হোটেলে টীকা প্রদর্শন করার কথা বলা হয়েছে। যদিও সবার টীকা সনদ ডাউনলোড করা হয়নি। এমনকি সবার টীকা নেয়া হয়নি। তাই খাবার খেতে ভোগান্তি পোহাতে হবে। তিনি আরো বলেন, সবার টীকা প্রদান শেষে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া দরকার ছিলো।

এ বিষয়ে ইপিবির সচিব ও মেলার পরিচালক মো. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে মেলায় আগত দর্শনার্থীদের স্বাস্থ্য বিধি মানাতে বাধ্য করা হচ্ছে। যেহেতু স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামী আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত মেলা চলবে,তাই দর্শনার্থী,ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করবো তারা যেন স্বাস্থ্য বিধি মান্য করেন।

রূপগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছালাউদ্দীন ভুঁইয়া বাংলা টাইমসকে বলেন,মেলার শুরু থেকে প্রবেশ পথে স্বাস্থ্য বিধি মামতে মাইকিং করা হয়েছে।এখনো করা হচ্ছে। ফলে নিরাপদ পরিবেশ রয়েছে। স্বাস্থ্যগত বিধি বাস্তবায়নে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন৷

এসব বিষয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার নুর জাহান আরা খাতুন বাংলা টাইমসকে বলেন, আগে জীবন রক্ষা পরে ব্যবসা চিন্তা। তাই সব শ্রেণি পেশার লোকদের স্বাস্থ্যবিধি মানা জরুরি।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট