1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Editor :
মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশ ::
...Welcome To Our Website...

বিমানবন্দরে ধুপ দিয়ে মশা নিধন (ভিডিও)

আহমদ বিলাল হুসাইন
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৮২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কর্তৃপক্ষ মশার উপদ্রব ঠেকাতে বিভিন্ন ওষুধের পাশাপাশি ব্যবহার করছেন ধুপ। যাত্রীরা বলছেন, মশার উপদ্রপে রয়েছে। মশার যন্ত্রনায় দাঁড়িয়ে থাকতে ও খুব সমস্যা হচ্ছে।

বুধবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। শীতকাল আসলেই বিমানবন্দর এলাকায় বেড়ে যায় মশার উপদ্রপ।

দেড় বছর বয়সী শিশু মেহেরিমাকে নিয়ে সপরিবারে চেন্নাই থেকে শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (ক্যানপি-১) গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলেন মো. আরমান। তিনি বলেন, মশার কামড়ে অতিষ্ঠ হয়ে গেলাম ঢাকা বিমানবন্দরে এসে। আমাকে মশা কামড় দিচ্ছে এটা সমস্যা না। কিন্তু আমার শিশু বাচ্চাটিকে কামড় দিচ্ছে, এতে আমার খুব কষ্ট লাগছে। এতে যদি আমার বাচ্চার কোন মশাবাহি রোগে আক্রান্ত হয় এর দায়িত্ব কে নিবে ?

একই ফ্লাইটে আসা যাত্রী লিংকন জানান, বিমানবন্দরে ক্যানপি-১ এ অনেক মশা। দাঁড়িয়ে থাকতে ও খুব সমস্যা হচ্ছে মশার কামড়ে।

বিমানবন্দর টার্মিনাল-২ কার পার্কিং এর সামনে অপেক্ষা করছিলেন চট্টগ্রাম থেকে আসা প্রান্ত বড়ুয়া। তিনি বলেন, বড় ভাই দুবাই যাবেন। সে করোনা টেস্ট করতে গিয়েছে। রিপোর্টের অপেক্ষায় আছি। কার পার্কিং এর এখানে বসে থাকতে গিয়ে মশার কামড়ের টিকতে পারছি না। এমন অবস্থা যে মশা উড়িয়ে নিয়ে যাবে।


তিনি আরো বলেন, টার্মিনালের প্রত্যেক গেটের সামনে ধুপ জ্বালানো হয়েছে। এ কারণে সব মশা কার পার্কিং এর এদিকে চলে আসছে।

বিমানবন্দর টার্মিনাল যেমন মশার সমস্যা আছে ঠিক তেমনি টার্মিনাল বাইরে রয়েছে মশার উপদ্রব। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে কাস্টমস সংলগ্ন এয়ারপোর্ট রেস্টুরেন্টের সামনে গিয়ে দেখা যায় অসংখ্য মানুষ বেঞ্চের উপরে বসে আছেন। তাদের কেউ কেউ পায়ের সামনে বা পাশে কয়েল জ্বালিয়ে রেখেছেন। তেমনি একজন জাকির হোসেন। তার ছোটভাইকে বিদায় জানাতে ফেনী থেকে এসেছেন বিমানবন্দরে। জাকির বলেন, এখানে মশার যে অবস্থা কোয়েল না জ্বালিয়ে কোন উপায় আছে ? মশার কামড়ে বসে থাকতে পারছি না। যেখানে যাই সেখানেই মশা।

শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ এইচ এম তৌহিদ-উল আহসান বাংলা টাইমসকে বলেন, মশার জন্য আমরা বসে নেই সারা বছর মশা নিয়ন্ত্রণে কাজ করছি। ঝোপ, নালা পরিষ্কার করি, মশার লার্ভা নিধন করি। সকালের লার্ভিসাইড, বিকেলে ইনসেকটিসাইড দেওয়া হয় ফগিং মেশিন দিয়ে। ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করি। টার্মিনালের প্রত্যেকটা গেটে ধুপ দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, বিমানবন্দরের আশপাশের ৪ থেকে ৪ কিলোমিটার এলাকা থেকে মশা বেশি আসে। বিমানবন্দরের ভিতরে মশার কোন উৎপত্তিস্থল নেই।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট