1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Editor :
রবিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২২, ০৬:৩০ অপরাহ্ন
নোটিশ ::
...Welcome To Our Website...

সেই বিচারকের ক্ষমতা কেড়ে নিলেন প্রধান বিচারপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক 
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২১
  • ৩১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক বেগম মোছা. কামরুন্নাহারের বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।রোববার (১৪ নভেম্বর) এ ক্ষমতা কেড়ে নেয়া হয় সেই বিচারপতির।

 

আলোচিত বনানীর রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণ মামলার রায়ে অভিযুক্ত পাঁচ আসামিকেই খালাস দিয়েছেন বিচারপতি বেগম মোছা. কামরুন্নাহার। রায়ের পর্যবেক্ষণে তিনি বলেন, ‘৭২ ঘন্টা পর ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায় না, পুলিশ যেন ৭২ ঘন্টা পর কোনো ধর্ষণের মামলা না নেয়।’ বিচারপতির এমন বক্তব্য অসাংবিধানিক বলে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। একইসাথে ওই বিচারকের পাওয়ার সিজ (ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া) করতে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি দেওয়া হবেও বলে জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১৩ নভেম্বর) সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী একথা বলেন। আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে প্রয়াত আইনজীবী আবদুল বাসেত মজুমদারের স্মরণসভায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন আইনমন্ত্রী।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক বেগম মোছা. কামরুন্নাহারের আদালত রেইনট্রি হোটেলে দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলা থেকে আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদসহ ৫ আসামিকে খালাস দেন।

মামলাটির রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় ৭২ ঘণ্টার পরে ডাক্তারি পরীক্ষায় আলামত প্রমাণ সম্ভব না। তাই ঘটনার ৭২ ঘণ্টা পার হলে যেন মামলা না নেয়, পুলিশকে সেই ‘পরামর্শ’দেন বিচারক।

আইনমন্ত্রী বলেন, ঘটনার ৭২ ঘণ্টা পর ধর্ষণ মামলা না নেওয়ার জন্য এক বিচারকের পর্যবেক্ষণ (মতামত) সম্পূর্ণ বে-আইনি ও অসাংবিধানিক। ওই বিচারকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রবিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের কাছে চিঠি পাঠানো হবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট