1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Editor :
মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:২০ অপরাহ্ন
নোটিশ ::
...Welcome To Our Website...

সর্বস্ব হারাদের মাঝে এখনো আতঙ্ক

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২১
  • ৪১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

আজ ১৫ নভেম্বর। ১৪ বছর আগে ২০০৭ সালের এই দিনে মোংলা তথা দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলে আঘাত হেনেছিলো সুপার সাইক্লোন সিডর। কেড়ে নিয়েছিল হাজার হাজার মানুষ ও পশু-পাখির প্রাণ। নষ্ট হয়েছে হাজার হাজার হেক্টর ফসলের জমি, ক্ষতি হয়েছে গাছপালার। বিধ্বস্ত হয়েছে ঘরবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ নানা স্থাপনা। মৃত্যু ভাসিয়ে নিয়েছে আপনজনদের। সিডরের ১৪ বছর পরও সেই আতঙ্ক এখনো কাজ করছে মোংলাসহ উপকূলের সর্বস্ব হারানো মানুষের।

 

বলা যায়, এখনো স্বাভাবিক হয়নি সিডর বিধ্বস্ত উপকূলীয় এলাকার মানুষের জীবনযাত্রা। প্রলয়ঙ্কারী সিডরের পরবর্তী প্রভাবে দেশের উপকূলীয় উপজেলা মোংলার দরিদ্র জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি সমস্যার সম্মুখীন হয়। সরকারি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিডর আক্রান্ত মানুষের সেবাই এগিয়ে এলেও প্রয়োজনের তুলনায় তা ছিল অপ্রতুল। সিডর ও আইলা পরবর্তী সময়ে মোংলায় সুপেয় পানির খুবই সংকট দেখা দেয়। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্রমশই এসব সংকট বেড়েই চলছে।

জানা গেছে, সিডরের তাণ্ডবে মোংলা ও সুন্দরবন সংলগ্ন সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন নদীতে দেওয়া বেড়িবাঁধগুলো ভেঙে গিয়েছিল। এখনও সেসব বেড়িবাঁধের অনেকগুলো ভাঙা থাকায় লবণাক্ত পানি ফসলি জমিতে ঢুকে বাড়াচ্ছে লবণাক্ততা। ফলে উপকূলীয় চরাঞ্চলের জমিতে ধান চাষ অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তারপর আবার অপরিকল্পিত চিংড়ি চাষের কারনে সমগ্র সুন্দরবন অঞ্চলের মাটি লবনাক্ত হয়ে পড়েছে। চাইলেই সেখানে ফসল ফলানো সম্ভব হচ্ছেনা। ঘূর্ণিঝড় সিডরের আঘাতে লন্ডভন্ড হয়েছিল মোংলা ও সুন্দরবন। তাই ১৫ নভেম্বর দিনটিকে “অভিশপ্ত দিন হিসেবে মনে করেন মোংলাবাসী।

ঘুর্ণিঝড় সিডরে ক্ষতিগ্রস্থ মোংলার জয়মনি গ্রামের মৎস্য ব্যবসায়ী সাঈদ মিয়া বাংলা টাইমসকে জানান, সিডর পরবর্তী সময়ে আমাদের দূর্বিসহ জীবন যাপন করতে হয়েছে। ছিলনা খাবার, ছিলনা পানি। অনেকের বসত ঘর উড়ে গেছে নদীতে। দুবলার চরে সিডর চলাকালীন সময়ে আমার একমাত্র ছোট ভাইকে হারিয়েছি। অনেক খোঁজ করেও তার লাশ পাইনি। সিডরের ক্ষতি আর আপনজন হারানোর শোক কাটিয়ে ওঠা এতো সহজ নয়।

গত ১০ বছর ধরে মোংলা উপকূলীয় এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক উন্নয়নে কাজ করা একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার এরিয়া কোর্ডিনেটর সিমসম মালো বলেন, সিডর বাংলাদেশের ইতিহাসে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি। এর ক্ষতি অপূরণীয়। তবে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ উপকূলের জনগণকে তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হবে বলে আশা তার। সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন এনজিও মোংলা উপকূলের মানুষের কল্যাণে কাজ করছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট