1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Editor :
বন্ধ হয়ে গেছে ইলা মিত্র পাঠাগার - বাংলা টাইমস
মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন

বন্ধ হয়ে গেছে ইলা মিত্র পাঠাগার

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১০ নভেম্বর, ২০২১
  • ৭১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ঐতিহাসিক তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ইলা মিত্রের নামে নির্মিত পাঠাগার ও সংস্কৃতি কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে নাচোলের নেজামপুর রেল বাজারে পাঠাগারটি নির্মাণ করা হয়। কিন্তু এখন সেটি টাকার অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।

 

পাঠাগারের ঘরটি নির্মিত হয়েছে বটগাছের নিচে। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় দরজায় লাগানো তালায়ও জং ধরেছে। প্রবেশপথ ছেয়ে আছে আগাছায়। সামনের খোলা জায়গায় গজিয়েছে ঘাস।

পাঠাগারটির তালা খুলতেই দেখা গেলো বই আর চেয়ার টেবিলে পড়েছে ধুলার আস্তরন। দেখে মনে হল, দীর্ঘদিন সেখানে কারও পা পড়েনি।

জানা গেছে, ৯ মাসেরও বেশি সময় ধরে পাঠাগারটি বন্ধ। এ পাঠাগার থেকে বই নিয়ে পড়াশোনা করত ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীরা। স্থানীয় বাসিন্দারাও পড়ালেখা করতে আসতেন এখানে।

সাংবাদিক সাজিদ তৌহিদ বলেন, ‘প্রশাসনের দেওয়া আর্থিক সহায়তায় পাঠাগারটি পরিচালিত হয়। কিন্তু মার্চ মাস থেকে সহায়তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পাঠাগারের কার্যক্রম এখন বন্ধ। এছাড়া অনেক বই পড়ে আছে পাঠকদের কাছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘নাচোলের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর বেশির ভাগ লোকজনই গরিব। অভাব–অনটনের কারণে অনেক শিক্ষার্থীর পড়ালেখা হয়না।ফলে স্কুল-কলেজ থেকে ঝরে পড়ে।এসব শিক্ষার্থীকে সহায়তার জন্য পাঠাগারে পাঠ্যবইও রাখা আছে। বই নিয়ে পড়ে পরীক্ষা শেষে ফেরত দিয়ে যেত তারা। পাঠাগার বন্ধ থাকায় এখন সে সুযোগ মিলছে না তাদের।’
নাচোলন উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শরিফ আহম্মেদ জানান, ‘এ বিষয়ে আমি তেমন কিছুই জানিনা।’

পাঠাগার পরিচালনা কমিটির সভাপতি বিধান সিং বাংলা টাইমসকে বলেন, ‘এই পাঠাগারে সব রকমের বই আছে। এখান থেকে বই নিয়ে গিয়ে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরা নিয়ে গিয়ে পড়ালেখা করে। ফলে তাদের বই কেনার জন্য ভোগান্তি হয়না। এর আগেও দুইবার তহবিল বন্ধের কারণে পাঠাগারের কার্যক্রম থেমে যায়। সঠিক সময়ে টাকা না পাওয়ায় পাঠাগারে লোক রাখতে পারিনা ।

পাঠাগারের সংকটের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ঘরটির সামনে একটা গর্ত আছে। ফলে জায়গটিতে পানি জমে থাকে। পাঠাগারে টয়লেট থাকলেও পানির ব্যবস্থ্যা নেই। গরমের সময় লোকজন আসে, কিন্তু ফ্যানের (বৈদ্যুতিক পাখা) ব্যবস্থা নেই। ফলে পাঠাগারটি চালু রাখা সম্ভব হচ্ছে না।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট