1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Editor :
বিএসিআই'র তিন দফা দাবি - বাংলা টাইমস
মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন

বিএসিআই’র তিন দফা দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক 
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৯ নভেম্বর, ২০২১
  • ৪৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সরকারের উন্নয়ন মূলক কাজের দরপত্রের মূল্য সমন্বয় ছাড়াও আরো ২টি দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ কনস্ট্রাকশন ইন্ডাস্ট্রি (বিএসিআই)।

 

মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে বাংলাদেশ এ্যাসোসিয়েশন অব কনস্ট্রাকশন ইন্ডাষ্ট্রি (বিএসিআই) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান।

দাবি গুলো হলো: বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী সকল সরকারি দরপত্রের রেট সিডিউল হালনাগাদ এবং প্রকল্পের কাজে ব্যবহৃত পানি ও বিদ্যুৎ সংক্রান্ত খরচ গণপূর্ত অধিদপ্তরের রেট শিডিউলে সন্নিবেশিত করা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিএসিআই এর সাবেক সভাপতি শেখ মো. রফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, সরকারের বিভিন্ন ভৌত অবকাঠামোসহ উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে সহায়ক হিসাবে ‘বিএসিআই’র সদস্যগণ। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে, নির্মাণ প্রকল্প সমূহের মূল উপকরণ রড,সিমেন্ট, পাথর, লোহা, ইট প্রভৃতির বাজার দর বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাশাপাশি নতুন করে ডিজেলের ও কেরোসিনের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় আমাদের পণ্য সরবরাহের খরচ আরো বেড়ে যাবে।

নির্মাণ সামগ্রী মূল্য বেড়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতি টন রডের বর্তমান মূল্য ৭৮-৮০ হাজার টাকায় পৌঁছেছে। অর্থাৎ গত এক বছরে টাকার অংকে বৃদ্ধির হার প্রায় ৪৫%। এমত অবস্থায় সরকারি নিয়ম অনুযায়ী দরপত্রে মূল্য সমন্বয় করা জরুরি।

তিনি আরো বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমরা চলমান প্রকল্পের কাজ চালিয়ে যেতে পারছি না এবং নতুন কোন দরপত্রে অংশ গ্রহণ করার সাহসও পাচ্ছি না। এমতাবস্থায় চলমান কাজে মূল্য সমন্বয় না করলে সকল নির্মাণ কাজে স্থবিরতা দেখা দিবে এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন অসম্ভব হয়ে পড়বে।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিএসিআই এর সাবেক সভাপতি এস এম খোরশেদ আলম বলেন, পরিবহন ব্যবস্থা নির্মাণ খাতে অতি জরুরী বিষয় বর্তমান পরিস্থিতিতে ডিজেলের মূল্য বৃদ্ধিতে পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাবে সুতরাং এখন জরুরি বিষয় হচ্ছে সরকারের আইন অনুযায়ী মূল্য সমন্বয় বাস্তবায়ন করা। সরকারের পিপিআর আইনে পরিষ্কার বলা আছে মূল্য সমন্বয়ের কথা কিন্তু সরকারের কিছু কিছু দপ্তরের কর্মকর্তারা এই মূল্য সমন্বয় করেনা। বরং তারা দরপত্রে নানাবিধ শর্ত জুড়ে দেয়।

তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, মনে করেন আমরা যদি রডের প্রতি টন মূল্য ৫২ হাজার টাকায় একটি দরপত্রে অংশ গ্রহণ করলাম কিন্তু একমাস পর সেই রডের টন ৮২ হাজার টাকা হলে আমাদের কাজ করা অসম্ভব হয়ে যায়। তাই আমাদের দাবি আইন অনুযায়ী উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শুধু মূল্য সমন্বয় নয় যদি প্রয়োজন হয় মূল্য বিয়োজনও করা হোক।

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকারের আমলারা মনে করেন যে তারা নানাভাবে সরকারের সাশ্রয় করছেন।

কিন্তু বাস্তবিক পরিস্থিতিতে সাশ্রয় তো হচ্ছেই না বরং আমরা ঠিকাদাররা কেউ দেউলিয়া হওয়ার পথে যাচ্ছেন। সুতরাং সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ সঠিক সময়ে কম খরচে বাস্তবায়নের জন্য আইন অনুযায়ী মূল্য সমন্বয় জরুরি।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএসিআই সভাপতি সফিকুল হক তালুকদার, সহ-সভাপতি বিমল চন্দ্র রায়, সংগঠনের প্রশাসন পরিচালক হাসান মাহমুদ বাবু, গণপূর্ত ঠিকাদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাবুল আক্তার বাবলা, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ঠিকাদার সমিতির সভাপতি এম আব্দুর রাজ্জাক, প্রমুখ।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট