1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Editor :
গণপরিবহণ শূণ্য সড়ক, পথে পথে দুর্ভোগ - বাংলা টাইমস
মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন

গণপরিবহণ শূণ্য সড়ক, পথে পথে দুর্ভোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক 
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৫ নভেম্বর, ২০২১
  • ৫৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার সাথে ভাড়া সমন্বয় না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে সড়ক প‌রিবহন মালিক স‌মিতি। শুক্রবার (৫ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে বাসও চলাচল বন্ধ রয়েছে।

 

এদিকে, শুক্রবার সকাল থেকে ধধর্মঘটের ফলে সড়কে কোনো যাত্রীবাহী বাস নেই, পণ্যবাহী ট্রাকেরও দেখা নেই।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে, হঠাৎ গণপরিবহণ বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বাস না পেয়ে ৩ থেকে ৪ গুণ বেশি ভাড়া দিয়ে চড়তে হচ্ছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, রাইড শেয়ারিং মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ও রিকশায়।

জরুরি প্রয়োজন ছাড়াও অনেকে পরিবার পরিজন নিয়ে বেরিয়ে রাস্তায় বেরিয় পড়েছেন দুরাবস্থায়। গাড়ি না পেয়ে অনেকেই পায়ে হেঁটে গন্তব্যে উদ্দেশ্যে রওনা দেন। দুই একটি সিএনজি অটোরিকশা পাওয়া গেলেও ভাড়া হাঁকছে কয়েকগুণ বেশি।

সকাল ৮টার দিকে রাজধানীর আবদুল্লাহপুর বাসস্ট্যান্ডে মানুষের জটলা দেখা যায়। কথা বলে জানা গেছে, ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও তারা বাস পাননি। যাও দুই-একটা বিআরটিসি পরিবহণ অনেকক্ষণ পর পর আসছে, তাতে এত ভিড় যে, ওঠার কোনো জো নেই।

এক যাত্রী জানান, বিকালে ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা। সিট পড়েছে ধানমন্ডির একটি কেন্দ্রে। বাস বন্ধ থাকবে এমন সম্ভাবনার কথা জেনে সকালেই রওনা হন পরীক্ষাকেন্দ্রের দিকে।

রাজধানীর বনানী, মহাখালী, ফার্মগেট, শাহবাগ, বাড্ডা, গুলিস্তান, কাকরাইল, নিউমার্কেট, মিরপুরেও একই চিত্রের খবর পাওয়া গেছে।

শুক্রবার অনেকে চাকরির নিয়োগ পরীক্ষা দিতে বের হয়েছেন। পরে জানতে পারেন গাড়ি বন্ধ। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে সারা দেশে চলছে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস ও ট্রাক ধর্মঘট।

বৃহস্পতিবার ঢাকা-নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন রুটে বাসে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হয়। নৌপথের লঞ্চ চলাচল বন্ধ না হলেও এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে শুক্রবার বৈঠকে বসবেন মালিকরা। তবে দাবি আদায়ে তারাও ধর্মঘটে যেতে পারেন।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি খন্দকার এনায়েতুল্লাহ বাংলা টাইমসকে বলেন, ধর্মঘটের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। কোনো মালিক বাস না চালালে তাকে বাধ্য করা হবে না। কেউ চালালে তাকে বাধা দেওয়া হবে না। তবে তে‌লের দা‌মের সঙ্গে ভাড়া সমন্বয় না করা পর্যন্ত বেশির ভাগ মালিক বৈঠকে বাস চালাবেন না।

হঠাৎ করেই প্রতি লিটারে ১৫ টাকা বাড়ানোর ঘটনা এটাই প্রথম। তাছাড়া বঙ্গবন্ধু সেতু ও মুক্তারপুর সেতুর টোল ২৫৭ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এতে বাস ও ট্রাকের প্রতি ট্রিপেই খরচ বেড়ে গেছে কয়েক হাজার টাকা। এর মাশুল গুনতে হবে সাধারণ যাত্রী ও ব্যবসায়ীদের। এতে গণপরিবহণ বন্ধের ঘোষণায় বিপাকে পড়েছেন চাকরি প্রার্থীরা। শুক্রবার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরির পরীক্ষা রয়েছে। এসব পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের যারা রাজধানীতে এসেছেন, তারা গণপরিবহণ বন্ধ থাকলে ফিরতে পারবেন না।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট