1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Editor :
কমনওয়েলথ ও সিভিএফকে এক সাথে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর - বাংলা টাইমস
রবিবার, ২২ মে ২০২২, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন

কমনওয়েলথ ও সিভিএফকে এক সাথে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১ নভেম্বর, ২০২১
  • ৪৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
ছবি : সংগৃহিত

জলবায়ু পরিবর্তনের আঘাত থেকে পৃথিবীকে বাঁচাতে প্যারিস চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য কমনওয়েলথ ও ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামকে (সিভিএফ) একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

সোমবার (১ নভেম্বর) গ্লাসগোতে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন-কপ টোয়েন্টি সিক্স-এর কমনওয়েলথ প্যাভিলিয়নে-ক্লাইমেট প্রোসপারিটি পার্টনারশিপ-বিষয়ে কমনওয়েলথ ও সিভিএফের উচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় এ আহ্বান জানান তিনি। সিভিএফ এবং কমনওয়েলথের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতার জন্য উপস্থাপন করেন ছফা দফা প্রস্তাব।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এখন একটি বৈশ্বিক এবং আন্তঃসীমান্ত সমস্যা। এর মারাত্মক পরিণতি থেকে কোনো দেশই মুক্ত নয়। সর্বোপরি আমাদেরকে একসঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাস্তবসম্মত, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং স্থানীয়ভাবে পরিচালিত সমাধানগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করতে হবে।

ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের বর্তমান সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে পর্যুদস্তু যে ৪৮টি দেশ এই জোটের সদস্য,বিশ্বে কার্বন গ্যাস নিঃসরণে তাদের সম্মিলিত অবদান মাত্র ৫ শতাংশ।

অস্তিত্ব সঙ্কটের মুখে পড়া এসব দেশের প্রশমন ও অভিযোজনের জন্য যে তহবিল প্রয়োজন, সে কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পর্যাপ্ত জলবায়ু অর্থায়ন এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের প্রয়োজনীয়তাকে অবশ্যই স্বীকার করতে হবে।

সিভিএফ এবং কমনওয়েলথের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতার জন্য প্রস্তাবের প্রথম দফায় তিনি বলেন, আমাদের সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের জন্য টেকসই, সবুজ এবং প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান অর্জনে আমাদের মধ্যে জ্ঞান ভাগ করে নেওয়া, গবেষণা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তি স্থানান্তর বাড়াতে হবে।

দ্বিতীয় দফায় তিনি বলেন, আমাদের অভিন্ন অবস্থান প্যারিস চুক্তিতে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, উন্নত দেশগুলোকে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য জলবায়ু অর্থায়নের লক্ষে বার্ষিক ১০০ বিলিয়ন ডলার সুরক্ষিত করতে আমাদের সাহায্য করতে পারে। জলবায়ুু অর্থায়ন হতে হবে বিদ্যমান এবং ভবিষ্যত ওডিএ’র অতিরিক্ত। এই পরিমাণটি অভিযোজন এবং প্রশমনের মধ্যে ৫০:৫০ অনুপাতের সাথে বরাদ্দ করা উচিত।’

তৃতীয়ত, তিনি বলেন, জলবায়ু অভিবাসীদের সমস্যা-জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, নদীভাঙন, বন্যা এবং খরার কারণে মানুষ তাদের পৈতৃক ভিটা এবং ঐতিহ্যবাহী পেশা থেকে চ্যুত হয়েছে, যা আলোচনা করা দরকার এবং এইসব মানুষের পুনর্বাসনের জন্য বিশ্বব্যাপী দায়িত্ব¡ নিতে হবে।

চতুর্থ দফায়, তিনি বলেন, ‘আমাদের ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রিতে রাখতে তাদের উচ্চাভিলাষী এবং আগ্রাসী এনডিসি ঘোষণা করতে প্রধান নির্গমনকারী দেশগুলোর ওপর চাপ হিসাবে কাজ করতে পারে।’

এছাড়াও, জ্বালানির প্রয়োজনীয়তা মেটানোসহ সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নয়নশীল দেশগুলেতে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ প্রযুক্তি হন্তান্তর করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি তাঁর পঞ্চম দফায় বলেন, একই সাথে, সিভিএফ এবং কমনওয়েলথ সদস্যদের উন্নয়ন চাহিদা বিবেচনায় নিতে হবে। তিনি বলেন, ‘সর্বোপরি একসাথে আমাদেরকে অবশ্যই জলবায়ুু পরিবর্তন মোকাবেলায় বাস্তবসম্মত, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং স্থানীয়ভাবে পরিচালিত সমাধানগুলি খুঁজে বের করার চেষ্টা করতে হবে।

তিনি বলেন, সিভিএফ-এর ৪৮ সদস্য দেশগুলো মোট বৈশ্বিক নির্গমনের মাত্র ৫ শতাংশের জন্য দায়ী, অথচ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব আমাদের জীবন ও জীবিকার জন্য মৌলিক হুমকি সৃষ্টি করেছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট