1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Editor :
জশনে জুলুসে লাখো নবীপ্রেমিকের ঢল - বাংলা টাইমস
মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন

জশনে জুলুসে লাখো নবীপ্রেমিকের ঢল

কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২০ অক্টোবর, ২০২১
  • ৩৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

নারায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর’, ‘নারায়ে রেসালাত ইয়া রাসুলুল্লাহ (সা.)’-সহ বিভিন্ন শ্লোগানে সকাল থেকেই মুখরিত করে তোলেন তৌহিদী নবীপ্রেমী জনতা। কারো হাতে আল্লাহু আকবর এবং চাঁদ-তারা খচিত সবুজ পতাকা, মুখে ছিল নাতে রাসুল (সা.)।

 

বুধবার (১৯ অক্টোবর) সকালে জামেয়া আহমদিয়া আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন আলমগীর খানকাহ থেকে ৫০ তম জশনে জুলুস বের হয়। এতে নেতৃতে দিচ্ছেন আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ হামিদ শাহ।

 

এদিকে হামিদ শাহ হুজুরকে দেখার জন্য লাখো মানুষ নগরের রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে আছে।আবার কেউ বিল্ডিংয়ে ছাদ থেকে হুজুর কেবলার মোবাইলে ছবি তুলছেন।

 

গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতেয়ার বলেন, করোনার কারণে সংক্ষিপ্ত আকারে জামেয়া আহমদিয়া আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন আলমগীর খানকাহ থেকে শুরু হওয়া জুলুসটি বিবিরহাট, মুরাদপুর, ২নং গেইট সেখান থেকে ইউটার্ন হয়ে জামেয়া মাদ্রাসা মাঠে আখেরী মুনাজাত করা হবে। জুলুসে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

 

প্রসঙ্গত ১২ই রবিউল আউয়াল হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম’র বিশেষ শুভাগমনের দিন। তাই এদিন সারা দুনিয়ার জন্য ‘ঈদ অর্থাৎ খুশির দিন। এই দিনে শরীয়তসম্মতভাবে খুশি উদ্যাপনের যে কোন জাঁক-জমকপূর্ণ কর্মসূচিই আল্লাহ্র সন্তুষ্টি অর্জনের এক উত্তম উসীলা। আর যে ইবাদতই সম্মিলিতভাবে (জামাত সহকারে) হয় সেটার ছওয়াবও বেশী হয়। তাই সম্মিলিতভাবে জাঁক-জমকের সাথে বর্ণাঢ্য মিছিল সহকারে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু তা’আলা আলায়হি ওয়াসাল্লামকে দরূদ ছালাম জানাতে জানাতে শহর প্রদক্ষিণ করা নিঃসন্দেহে উত্তম কাজ। আর এই ব্যবস্থার নামই ‘জশ্নে জুলুছ-এ ঈদে মিলাদুন্নবী’ সাল্লাল্লাহু তা’আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম।

 

উল্লেখ্য, রাসূলে করিম সাল্লাল্লাহু তা’আলা আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ৪০ তম বংশধর কাদেরিয়া তরিকার উজ্জ্বল নক্ষত্র, যুগশ্রেষ্ঠ আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ্ রহমাতুল্লাহির নির্দেশেই আন্জুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট এদেশে

 

সর্বপ্রথম জুলুস ১৯৭৪ সালের ১২ই রবিউল আউয়াল আয়োযন করেছেন। চট্টগ্রামের বলুয়ার দীঘি পাড়স্থ খানকায়ে কাদেরিয়া ছৈয়্যদিয়া তৈয়্যবিয়া হতে বের হয়ে এশিয়া বিখ্যাত দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ষোলশহর জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলীয়া ময়দানে এসে এক বিশাল সমাবেশের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়। প্রতি বছর এ দিনে এ ধারাবাহিকতা চলতে থাকে এবং ব্যাপ্তি লাভ করে। বর্তমানে এ জুলুস চট্টগ্রাম আলমগীর খানকা শরীফ থেকে বের হয়ে জামেয়া ময়দানে সমাপ্ত হয়।

 

পরবর্তীতে হুজুর কেবলার নির্দেশে আন্জুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট ৯ রবিউল আউয়াল একই নিয়মে রাজধানী ঢাকায়ও জশনে জুলুসের আয়োজন করে আসছে। পরবর্তীতে এ জুলুছ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে বিভিন্ন ধর্মীয় সংস্থা ও সিলসিলার পীর-মাশায়েখদের উদ্যোগে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, সিলেট, কুমিল্লাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ‘জুশনে-জুলুছ’ এর আয়োজন শুরু হয়। এমনকি বর্তমানে জাপান, আমেরিকা, মিশর, ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তানসহ বিভিন্ন দেশে জশনে জুলুস উদ্যাপিত হচ্ছে। ব্রুনাই ও মালয়েশিয়াসহ কোন কোন মুসলিম দেশে বহু আগে থেকেই রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় জশনে জুলুসে ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উদযাপন হয়ে আসছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট