1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Editor :
হঠাৎ বেড়েছে টাইফয়েড, বেশির ভাগই শিশু - বাংলা টাইমস
শনিবার, ২৮ মে ২০২২, ১২:৪০ পূর্বাহ্ন

হঠাৎ বেড়েছে টাইফয়েড, বেশির ভাগই শিশু

জয়পুরহাট প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২১
  • ৫৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

হঠাৎ করে প্রচন্ড রোদ ও ভ্যাপসা গরমের কারনে জয়পুরহাটে বেড়েছে জ্বর, সর্দি ও কাশি রোগীর সংখ্যা। সরজমিনে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে সূত্রে জানা যায়, জ্বর ও সর্দি কাশি নিয়ে গড়ে প্রতিদিন ভর্তি থাকছে এক’শ রোগী। এর বেশি ভাগই শিশু। যাদের অধিকাংশই টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত। গত দুই সপ্তাহে টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে প্রায় এক হাজার শিশু জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে অনেক রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হাসপাতালের ২২ বেডের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। পানি ও খাবারে সমস্যার কারণেই পানি বাহিত এ রোগের প্রাদুর্ভাব দাবি শিশু বিশেষজ্ঞের।

 

অন্যদিকে, জেলার উপজেলা হাসপাতাল, বিভিন্ন ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছে। এদের মধ্যে বেশির ভাগ শিশু রোগী নিয়ে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে আসছেন তাদের স্বজনরা। হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ওইসব শিশুদের জায়গা না হওয়ায় মেঝেতে ও বারান্দায় গদাগদি করে জায়গা নিয়ে তাদের চিকিৎসা সেবা নিতে হচ্ছে।

 

তবে হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিক থেকে এর প্রকোপ বাড়তে থাকে। প্রায় প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ জন রোগী আধুনিক জেলা হাসপাতালে ভর্তি হয়। এদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু। পানি ও খাবারে সমস্যার কারণেই পানি বাহিত এ রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে। হাসপাতালে ভর্তির পর টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত রোগীরা ৭-৮ দিন চিকিৎসা নেয়ার পর তারা সুস্থ হাসপাতাল ছাড়ছেন।

 

হাসপাতালেন চিকিৎসা নিতে আসা জয়পুরহাট সদর উপজেলার সগুনা গ্রামের ৯ বছরের শিশু শাহানা, পাঁচবিবি উপজেলার জীবনপুরের সাদ্দামের অভিভাবক জানান, তারা টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত সাতদিন থেকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের এলাকার প্রায় শিশুরা টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে। তারা বলেন, ইদানিং প্রায় শিশুদের এই অসুখ হচ্ছে। কেউ হাসপাতালে আসে, আবার অনেকে বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছে। এ জ্বর অনেকদিন যাবত ভোগায়।

 

জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সরদার রাশেদ মোবারক বাংলা টাইমসকে বলেন, এই টাইফয়েড রোগ মুখের মাধ্যমে খাবার ও পানির মাধ্যমে এইটা ছড়াই। এই প্রাদুর্ভাবটা অস্বাভাবিক মনে হচ্ছে । পানি ও খাবারে সমস্যার কারণেই পানি বাহিত এ রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে। গত কয়েক বছরের তুলনায় এবারের মাত্রাটা বেশি। গত দুই সপ্তাহে টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে প্রায় এক হাজার শিশুকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। প্রতিনিয়ত এ রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। কয়েকদিনের মধ্যে এর প্রাদুর্ভাব কমে আসবে। তবে চিকিৎসার পাশাপাশি সচেতনতা অবলম্বন করে চলাফেরা করতে হবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট