1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Editor :
মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:০৫ অপরাহ্ন
নোটিশ ::
...Welcome To Our Website...

‘বিশ্ব শিক্ষক দিবসে, শিক্ষকের দায়িত্বের কথা’

মো. গোলাম মোস্তফা
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৪ অক্টোবর, ২০২১
  • ২০৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলোর মাঝে একটি হলো শিক্ষক । একজন আর্দশ শিক্ষক সব রকম প্রতিকূলতার মাঝেও সুষ্টুভাবে তাঁর কাজ পরিচালনা করে শিক্ষাদানকে স্বার্থক করে তুলেন। আবার অনেকে সব রকম সুয়োগ সুবিধা পেয়েও শিক্ষাদানে ব্যর্থতার পরিচয় দেন। সেখানেই থাকে একজন সুশিক্ষক আর অশিক্ষকের পার্থক্য।

 

গতানুগতিক শিক্ষায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মাঝে সম্পর্ক হলো দাতা গ্রহিতার সম্পর্ক। কিন্তু আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষক – শিক্ষার্থী চাহিদা, অনুরাগ, ক্ষমতা অনুযায়ী শিক্ষা দান করে থাকেন। শিক্ষক হন শিক্ষার্থীর একজন ভাল নির্দেশক । আর এজন্য শিক্ষকদের কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য থাকা দরকার।

 

আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষকের সাথে শিক্ষার্থীর একটা সুসম্পর্ক থাকবে। যেখানে শিক্ষক হবেন শিক্ষার্থীর জীবনার্দশ, নৈতিক মূল্যবোধের জাগ্রত প্রতীক। কাজেই একজন শিক্ষকের কিছু গুনাবলি আবশ্যক।

 

শিক্ষকের গুনাবলী প্রধানত দুই ধরনেরঃ

ক. ব্যক্তিগত গুণাবলী – খ. পেশাগত গুণাবলী-

ক. ব্যক্তিগত গুণাবলী আবার দুই ধরনের-

১. জন্মগতঃ
* দৈহিক বিভিন্ন বৈশিষ্ট। * বৌদ্ধিক ক্ষমতা * বিচার করণের ক্ষমতা।
২.অর্জিত ক্ষমতাঃ
* ব্যক্তিসত্তা বিভিন্ন সংলক্ষণ * দায়িত্ববোধ * প্রগতিশীল দৃষ্টিভঙ্গী * প্রক্ষোভ মূলক বৈশিষ্ট্য * উন্নত জীবনাদর্শ * নিরপেক্ষ চিন্তার ক্ষমতা * সেবামূলক মনোভাব * জ্ঞানের পিপাসা * রসবোধ * শিক্ষার্থী প্রীতি * মানসিক স্বাস্থ্য।

 

খ. পেশাগত গুণঃ
* বিষয় জ্ঞান * শিক্ষাদান পদ্ধতি * গবেষণা মূলক মনোভাব * শিশু মনোবিদ্যার জ্ঞান * উপকরণ ব্যবহারের দক্ষতা * মূল্যায়ন করার দক্ষতা * সহ-পাঠ্যক্রমিক কাজ করার ক্ষমতা।

সর্বোপরি শিক্ষক নিজের সম্পর্কে সচেতন থাকবেন। বিচার-বিবেচনার দ্বারা সমস্ত পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করবেন, পরিস্থিতির সাথে অভিযোজিত হবেন, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমের ভিত্তিতে জাতিকে গড়ে তুলবেন।

 

মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর)”বিশ্ব শিক্ষক দিবস” । উল্লেখ্য যে, ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দে জাতিসংঘের ২৬ তম অধিবেশনে ৫ অক্টোবরকে বিশ্ব শিক্ষক দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। আমেরিকা, ব্রিটেন, জাপান, কানাড,, অষ্ট্রেলিয়া, স্পেন ও জার্মানের শিক্ষক সমাজ সেই সব দেশে শ্রেষ্ঠ নাগরিক হিসেবে স্বীকৃত। তাঁরা শিক্ষকদের অর্থ ও সম্মান দুটিই দান করেন। কারণ তাঁরা জানেন যে কোনো দেশের উন্নয়নের পূর্বশর্ত হলো শিক্ষিত ও দক্ষ জনসম্পদ তৈরী করা। আর সেই কাজটি সম্পাদন করছেন শিক্ষক সমাজ। আজকের দিনে বাংলাদেশ তথা সারা বিশ্বের শিক্ষক সমাজের অবদানকে সকলে অবনতমস্তকে স্বরণ করবে । তাঁদের সম্মান ও মর্যাদা দিয়ে জাতি সম্মানিত হবে সে আশা করি।

 

লেখক- অধ্যক্ষ
রাজুর বাজার কলেজিয়েট স্কুল,নেত্রকোণা।

 

(মতামত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখার জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।)

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট