1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Editor :
মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০১:২১ অপরাহ্ন
নোটিশ ::
...Welcome To Our Website...

পেঁয়াজের দামে ক্ষুদ্ধ ক্রেতা

খুলনা ব্যুরো
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৪ অক্টোবর, ২০২১
  • ৮২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

খুলনার বাজারে পেঁয়াজের ঝাঁজ বেড়েছে। প্রকারভেদে প্রতি কেজিতে বৃদ্ধি পেয়েছে ১০ টাকা করে। এখন এ পণ্যটির বাজার মূল্য প্রতি কেজি ৬০ টাকা। অভ্যন্তরীণ বাজারে সংকট ও ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।

 

নগরীর কয়েকটি কাঁচা বাজার ঘুরে জানা গেছে, তিন দিন আগে মানভেদে ব্যবসায়ীরা যে পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি করেছেন, এখন তা ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এমনকি দাম আরও বাড়ার আশংকার কথাও শোনা যায় ব্যবসায়ীদের মুখে।

 

নগরীর সোনাডাঙ্গাস্থ ট্রাক টার্মিনালের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী ও ফারাজী ভান্ডারের কর্মকর্তা মোঃ মোকাদ্দেস হোসেন গাজী জানান, এ বাজারে প্রতিদিন প্রায় ছয় ট্রাক পেঁয়াজের প্রয়োজন। সেখানে দুই ট্রাক করে পেঁয়াজ আসছে। যা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ঠ নয়। তিনি কুষ্টিয়া, ফরিদপুর ও ঝিনাইদহের বিভিন্ন মোকাম ঘুরে পেঁয়াজ ক্রয় করেন। গত কয়েকদিন ধরে ওই সকল মোকামে পণ্যটির ব্যাপক সংকট দেখা দিয়েছে। পেঁয়াজ ওই সব এলাকার গৃহস্থদের কাছে রয়েছে। তারা সবসময় লাভের আশায় সংকট মুহুর্তে বেশী দামে বিক্রি করেন। তবে ভারত পেঁয়াজ না দিলেই পরবর্তীতে হু হু করে বেড়ে যাবে এ পণ্যটির দাম।

 

একই বাজারের মেহরাব বাণিজ্য ভান্ডারের ম্যানেজার মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, পেঁয়াজ এখন ভারত নির্ভর পণ্য। আমাদের দেশে যে পরিমাণ পেঁয়াজ উৎপাদন হয় তা দিয়ে দেশের মানুষের চাহিদা মেটানো অসম্ভব। ভারত পেঁয়াজ দেওয়া বন্ধ করে দিলে এ পণ্যটির দাম বেড়ে যায়। গত সপ্তাহে ভারতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে সেখানে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় পেঁয়াজ আসছেনা বলেও তিনি জানিয়েছেন।

 

আল্লাহ’র দান বাণিজ্য ভান্ডারের আড়ৎদার মো. ইসমাঈল হোসেন জানান, বাজারে গত বুধবার পেঁয়াজের পাইকারী মূল্য ছিল ৩৮ টাকা, বৃহস্পতিবার ৪৬ টাকা, শুক্রবার ৪৭ টাকা, শনিবার ৪৮ টাকা এবং রবিবার ৫২ টাকায় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে। মোকামগুলোতে পেঁয়াজের সংকট দেখা দিয়েছে। এ বাজারে পেঁয়াজের ৩৫ টি আড়ত রয়েছে। আড়তগুলোতে যে পরিমাণ পেঁয়াজের প্রয়োজন হয় সে পরিমাণ পাওয়া যাচ্ছেনা। ভারত পেঁয়াজ দিলে বাজার কিছুটা কমতে পারে। না হলে আরও দাম বৃদ্ধি পেতে পারে। এ বছর ভাল ফলন হয়েছে। কিন্তু প্রতি বছরের এ সময় উৎপাদিত এলাকার গৃহস্থরা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাজার দর বৃদ্ধি করে। অথচ তার ঘরে প্রায় দু’শ বস্তার মতো পেঁয়াজ মজুদ রয়েছে।

 

নগরীর টুটপাড়া জোড়াকল বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা মো. আশরাফুল জানান, পরিবহন খরচ ও আড়তদার দিয়ে ৪৫ টাকায় পেঁয়াজ ক্রয় করতে হয়েছে। ৬০ টাকায় বিক্রি না করলে অনেক লস হবে বলে তিনি জানান।

 

নগরীর রূপসা বাজারে ক্রেতা শহিদুলের সাথে কথা হলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কোন কিছুর নিয়ন্ত্রণ নেই। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি মানুষের জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করছে। ব্যবসায়ীরা বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করে চলেছে, সেদিকে কর্তৃপক্ষের কোন খেয়াল নেই। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন তিনি।

 

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট