1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Editor :
মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০২:১৬ অপরাহ্ন
নোটিশ ::
...Welcome To Our Website...

শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধে লাকসামে হচ্ছে উপানুষ্ঠানিক বিদ্যালয়

দেবব্রত পাল বাপ্পী, লাকসাম (কুমিল্লা)
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৯৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

দেশের পর্যটন নগরীখ্যাত কুমিল্লা জুড়ে নানাহ কারনে ঝড়ে পড়া শিশু-কিশোরদের লেখাপড়ার স্বার্থে পুনরায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফেরাতে নানামুখি উদ্যেগ নিয়েছে সরকার। জেলার ১৭টি উপজেলায় ৮ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের প্রাথমিক শিক্ষা প্রসারে প্রত্যেক উপজেলায় ৭০টি ও মহানগর এলাকায় ১’শ২০টি উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনে নানামুখী উদ্যেগ নিয়েছে বর্তমান সরকার।

 

প্রকল্পের একাধিক সূত্র জানায়, জেলার ১৭টি উপজেলার মধ্যে বাদ পড়েছেন চৌদ্দগ্রাম, সদর দক্ষিণ ও লালমাই উপজেলা। কারন এ ৩টি উপজেলা শিশু শিক্ষায় সরকারের অপর একটি আলাদা প্রকল্পে অন্তরভুক্ত রয়েছে। ফলে তারা উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা অনুমতি পাচ্ছে না।

 

বাকী কুমিল্লা সদর, বুড়িচং, ব্রাক্ষনপাড়া, নাঙ্গলকোট, লাকসাম, মনোহরগঞ্জ, বরুড়া, হোমনা, মেঘনা, তিতাস, মুরাদনগর, দেবিদ্বার ও চান্দিনাসহ ১৪টি উপজেলা এবং কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ডে সহস্রাধিক উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পটি অনেক দূরে এগিয়ে গেছে। এখন শুধু মাত্র বাস্তবায়নের অপেক্ষায়।

 

সূত্রগুলো আরও জানায়, গ্রামীন শিশু শিক্ষার উন্নয়নে ব্র্যাক, এডিপি ওয়ার্ল্ড ভিশনসহ একাধিক দাতা সংস্থা এ নিয়ে কাজ করলেও বর্তমান সরকার চলমান মহামারী করোনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ, নানাহ ভাবে সৃষ্ট দারিদ্রতা ও পারিবারিক আর্থিক অস্বচ্ছলতাসহ সাধারণ মানুষের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা চিন্তা করে এবং প্রায় অর্ধ লক্ষ শিশু-কিশোর লেখাপড়া ছেড়ে বিভিন্ন পেশায় জড়িয়ে পড়েছে। তাই বর্তমান সরকার ঝড়ে পড়া অর্ধলক্ষাধিক শিশু-কিশোরকে লেখাপড়ায় পুনরায় ফেরাতে প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রনালয় এবং উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মাধ্যমে এ জেলা শহর ও উপাজেলাগুলোতে ‘‘আউট অব চিল্ড্রেন এডুকেশন প্রোগ্রাম’’ নামে প্রকল্পটি বিভিন্ন দাতা সংস্থার পাশাপাশি সরকারী অর্থায়নে বাস্তবায়নের উদ্যেগ নিয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

 

জেলার একাধিক প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, বিগত দেড় বছরেরও অধিক সময় ধরে মহামারী করোনা ভাইরাসের আগ্রাসনে শিক্ষা থেকে ঝড়ে পড়া শিশু-কিশোরদের তালিকা অনেক দীর্ঘ। চলমান বছর শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন শ্রেণিতে যে পরিমান বিষয় ভিত্তিক অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিয়েছেন তাতে ধারনা করা হচ্ছে যারা জমা দেয়নি তারা আর বিদ্যালয়ে ফিরবে না। এমনকি অনেক ছাত্রীর বিয়ে হয়ে গেছে। এরই প্রেক্ষিতে ৮ থেকে ১৪ বছর বয়সী ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থীদের তালিকা তৈরির জরিপ শুরু করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো কর্তৃপক্ষ।

 

সূত্রটি আরও জানায়, কুমিল্লার যেসব এলাকায় বিদ্যালয় বর্হিভুত শিক্ষার্থী রয়েছে তারও একটি তালিকা আমরা তৈরি করছি। জেলা জুড়ে ঝড়ে পড়া শিশু-কিশোরদের পুনরায় বিদ্যালয়ে ফেরাতে প্রত্যেক উপজেলায় ইতিমধ্যে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সকর শ্রেণি পেশার মানুষের সমন্বয়ে অবহিত করণ ও মতবিনিময় সভাসহ নানামুখি উদ্যেগ হাতে নেয়া হয়েছে। চলতি বছরের নভেম্বর মাস থেকে শুরু হওয়া এই উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কেন্দ্রগুলোতে ১ জন করে শিক্ষক এবং প্রত্যেক উপজেলায় ৫ জন সুপারভাইজার নিয়োগ দেয়া হবে। ওই বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক ও সুপারভাইজার নিয়োগ কমিটির সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন স্ব স্ব উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা। এ প্রকল্পটি প্রাথমিক ভাবে ২০২৩ সাল পর্যন্ত চলমান থাকবে।

 

এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর একাধিক কর্মকর্তার মুঠোফোনে বার বার চেষ্টা করেও ওই প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট