1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Editor :
মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:০৯ অপরাহ্ন
নোটিশ ::
...Welcome To Our Website...

উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ডেঙ্গু ও শিশু রোগী

খুলনা ব্যুরো
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৫২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

খুলনায় কমতে শুরু করেছে করোনা শনাক্তের হার। করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কমলেও উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে ডেঙ্গু ও শিশু রোগীর সংখ্যা। গত একমাসে শুধু খুলনা শিশু হাসপাতালে নিমোনিয়া, জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভর্তি হয়েছে ২ হাজার ১৫৮ জন। ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ২০৬ ছাড়িয়েছে।

 

এদিকে, খুলনা বিভাগীয় এই শিশু হাসপাতালে বেড না পেয়ে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে দূর-দূরান্ত থেকে আসা রোগীর স্বজনদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

 

খুলনা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও শিশু হাসপাতালের তথ্য মতে, বছরের প্রথম সাড়ে সাত মাসে (জানুয়ারি থেকে ১৫ আগস্ট) ডেঙ্গু শনাক্ত ব্যক্তির সংখ্যা ছিল ৫০। পরের এক মাসে আরও ১৫৬ জনের ডেঙ্গু জ্বর শনাক্ত হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিভাগে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০৬। চলতি বছর খুলনা বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫৯ জন।

অপরদিকে, শুধুমাত্র খুলনা শিশু হাসপাতালেই গত আগস্ট মাসে নিমোনিয়া, জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে আউটডোরে চিকিৎসা নিয়েছে ১২ হাজার ৫৯৯ জন শিশু। ভর্তি ছিল ১ হাজার ৩১২ জন। ২০ দিনের ব্যবধানে সেপ্টেম্বর মাসে আউটডোরে চিকিৎসা নিয়েছে ১২ হাজার ১৯৫ জন। ভর্তি হয়েছিল ৮৪৬ জন। মাত্র দেড় মাসে আউটডোরে মোট রোগী চিকিৎসা নিয়েছে ২৪ হাজার ৭৯৪ জন। মোট ভর্তি রোগী ২ হাজার ১৫৮ জন।

 

আমেনা খাতুন নামে এক শিশুর বাবা মো. রিপন বলেন, গত দুইদিন ধরে সন্তানকে মুমুর্ষ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করব বলে অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে দৌড়াদৌড়ি করছি। কিন্তু সব হাসপাতাল থেকেই পরামর্শ দেয়া হয়েছে শিশু হাসপাতালে ভর্তি করতে। কিন্তু শিশু হাসপাতালে বেড খালি না থাকায় গত দুই দিন দেরি করেও ভর্তি করতে পারছিনা সন্তানকে।

 

সুমি নামের এক শিশুর মা বলেন, একদিন ঘুরে সন্তানকে ভর্তি করতে পেরেছি। খুলনার অন্যান্য হাসপাতাল থেকে রেফার করে আমাদেরকে শিশু হাসপাতালে পাঠায়। কিন্তু এখানে বেড কম থাকায় মুমূর্ষ অবস্থায় সন্তানদেরকে নিয়ে এখানে এসে পড়তে হয় নানা বিড়ম্বনায়।

 

খুলনা শিশু হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ আল আমিন রাকিব বলেন, আমাদের এখানে ২৭৪টি বেড রয়েছে। যা রোগীর তুলনায় অনেক কম। আমরা ইচ্ছা থাকা সত্তে¡ও অনেক সময় ভর্তি করতে পারিনা রোগীদের। সংকট কাটাতে শিশু হাসপাতালে আরও একটি ১০ তলা ভবন নির্মান করা হচ্ছে। এটি হলে রোগীদের ভোগান্তি অনেকটা কমে আসবে।

 

খুলনা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. জসিম উদ্দিন হাওলাদার বৃষ্টির মৌসুম থাকায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়েছে স্বীকার করে বাংলা টাইমসকে বলেন, আবহাওয়া পরিবর্তনসহ নানা কারণে ডেঙ্গুর পাশাপাশি খুলনায় উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে শিশু নিউমোনিয়া ,জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টের মত রোগ। তবে খুলনায় যেসকল রোগী ডেঙ্গু রোগ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন তার অধিকাংশই খুলনা জেলার বাইরের রোগী। অনেকে আছে যারা ঢাকা থেকে ফিরেছেন ডেঙ্গু রোগ নিয়ে, এখানে এসে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে সাধারণ মানুষ সচেতন না হলে ডেঙ্গু ও স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়ায় করোনা ও শিশু রোগীর সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে মনে করেন স্বাস্থ্য বিভাগের এই কর্মকর্তা।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট