1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Editor :
মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০২:০৩ অপরাহ্ন
নোটিশ ::
...Welcome To Our Website...

রংপুরে কক্সকি ভাইরাসে আক্রান্ত শিশু রোগী বাড়ছে

রংপুর ব্যুরো
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৬৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও ডায়ারিয়ার পাশাপাশি হ্যান্ড, ফুট এবং মাউথ নামে নতুন রোগে আক্রান্ত শিশু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এই রোগে শিশুদের হাতে পায়ে এবং মুখে ফোসকা দেখা দেয়। বাচ্চারা খাবার খাওয়া কমে দেয়। তবে অভিভাবকদের এই রোগে আতঙ্কিত না হয়ে শিশুদের পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শিশু বিশেষজ্ঞরা।

 

জানা গেছে, করোনা প্রাদুর্ভাব কমে আসায় হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত শিশুদের ভিড় বেড়েছে। হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডগুলোতে ১১৭ শয্যার বিপরীতে ভর্তি রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি। এমনকি ওয়ার্ডগুলোর যাতায়াতের রাস্তায় শিশুর অভিভাবকরা অবস্থান নেয়ায় ওয়ার্ডগুলোতে প্রবেশ করাও কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

কথা বলে জানা গেছে, জন্মের পর তাদের সন্তানের নিউমোনিয়া, খিঁচুনিসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়ায় শিশু ওয়ার্ডে এসেছেন।

 

মিঠাপুকর উপজেলার রাণীপুকুর ইউনিয়নের গুচ্ছ গ্রামের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম জানান, তার শিশুপুত্র সাপাহান হ্যান্ড, ফুট ও মাউথ রোগ আক্রান্ত হলে গত সপ্তাহে তাকে শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করেছেন। বর্তমানে সাপাহান ভাল আছে বলে জানান রফিকুল।

 

পীরগঞ্জ উপজেলা সদরের বাসিন্দা মো. সাইফুল ইসলাম গত রোববার ১ দিন বয়সের নাতিকে শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসাতালে ভর্তি করিয়েছেন। তার নাতির শারীরিক অবস্থা ভালো নেই বলে তিনি জানান।

 

শিশু ওয়ার্ডের রেজিস্টার ডা. আ.ন.ম তানভীর চৌধুরী বলেন, মূলত এই সময়ে শিশু ওয়ার্ডগুলোতে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ জন নতুন শিশু বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। তবে এ বছরই প্রথম উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্যান্ড, ফুট এবং মাউথ নামে নতুন রোগে আক্রান্ত শিশুরাও চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসছে। গত ২ মাস ধরে এই রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৪ থেকে ৫ জন শিশু এ ধরনের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসছে।

 

তিনি বলেন, মূলত কক্সকি ভাইরাসের মাধ্যমে এই রোগ ছড়ায়। এই রোগে হাত ও পায়ে ফোসকা পড়ে এবং মুখে লাল হয়ে ঘা হয়। শিশুদের খেতে অসুবিধা হয়। প্রসাবের পরিমাণ কমে যায়।

 

তিনি আরও বলেন, তবে ভয়ের কিছু নেই। এই রোগে শিশুদের পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি পানি এবং তরল জাতিয় খাবার বেশি করে খাওয়াতে হবে। এছাড়া আক্রান্ত শিশুদের কাছে অন্য শিশুরা যাতে না আসে তা খেয়াল রাখতে হবে। সাধারণত দেড় বছর থেকে শুরু করে ৬ বছরের শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। অনেকে এই রোগকে সাধারণ পক্স মনে করে চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। তাই অভিজ্ঞ চিকিৎসককে না দেখিয়ে কোনো ওষুধ সেবন না করানোই ভাল।

 

রমেক হাসাপাতালের শিশু ওয়ার্ডের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা. অতনু বসাক বাংলা টাইমসকে বলেন, বর্তমানে শিশু ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিদিন যে সংখ্যার শিশু হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে এর শতকরা ৫০ ভাগ নবজাতক। খিঁচুনি, শ্বাসকষ্ট, ওজন স্বল্পতাসহ বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসছে শিশুরা। এছাড়া বিভিন্ন বয়সের শিশুরা নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে বেশি ভর্তি হচ্ছে।

 

চলতি বছর বেশি হ্যান্ড, ফুট ও মাউথ রোগ নিয়ে শিশুরা হাসপাতালে আসছে জানিয়ে তিনি বলেন, এই রোগে অভিভাবকদের আতঙ্কিত না হয়ে বেশি করে পুষ্টিকর খাবার খাওয়াতে হবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট