1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Editor :
আড়ৎ ঘাটে উৎসব - বাংলা টাইমস
রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ০৮:২৩ অপরাহ্ন

আড়ৎ ঘাটে উৎসব

উত্তম কুমার হাওলাদার, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১২১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

দক্ষিনাঞ্চলের পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মৎস্য বন্দর আলিপুর ও মহিপুরে নির্মান করা হয়েছে দু’টি অত্যাধুনিক মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র। সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর একটায় বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রানিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অবতরন কেন্দ্র দু’টির আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্ভোধন করবেন।

 

এর ফলে এক ছাদের নিচে ট্রলার মালিক,জেলে,আড়ৎদার,পাইকারসহ সকলেই মাছ ক্রয়-বিক্রয় করতে পারবে। আর মৎস্য খাতের ভোগান্তি এবং সমস্যা অনেকটাই লাঘব হবে। মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র উদ্ভোধন কে কেন্দ্র করে মৎস্য বন্দর মহিপুর ও আলিপুরে এখন উৎসব মুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সাজানো হয়েছে নতুন সাজে।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন ২০১৬ সালের মৎস্য বন্দর মহিপুর ও আলিপুরে অবতরণ কেন্দ্রের স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু করে। অবতরণ কেন্দ্রে মাছ ধরার ট্রলার থেকে নামানোর জন্য নির্মাণ করা হয়েছে উন্নত মানের পন্টুন ও গ্যাংওয়ে। থাকছে ১০ হাজার স্কয়ার ফিটের ওয়ার্কশন সেট, আইসপ্লান্ট, মাছ প্যাকেজিং করার জন্য আলাদা প্যাকেজিং সেট, আড়ৎদারদের অফিস কক্ষ,স্যানিটেশন ও পয়ঃনিষ্কাশনের আধুনিক সুযোগ সুবিধা। এছাড়া মাছ পরিবহনের জন্য তৈরি করা হয়েছে সাত হাজার স্কয়ার ফিটের ট্রাক স্ট্যান্ড।

 

মন্ত্রী একই দিন সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে বি এফ আর আই এফ আওতাধীন নদী-উপকেন্দ্রর অফিস কাম গবেষনাগার নতুন ভবন উদ্ভোধন করেবেন। এ সময় পটুয়াখালী ৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. মহিবুর রহমান মহিব, মৎস্য ও প্রানিসম্পদ মন্ত্রনালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ সহ মৎস্য বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

 

মহিপুর থানা যুবলীগের আহব্বায়ক মো.মিজানুর রহমান বুলেট আকন বলেন, প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতের ছোয়ায় অবহেলিত এ দক্ষিনাঞ্চলে এ মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র দু’টি হয়েছে। এর ফলে জেলেদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটবে। তবে অবতরর কেন্দ্রের সংযোগ সড়রেক বেহাল দশা। এ সড়ক অবিলম্বে পূর্নঃ নির্মানের দাবী করেছেন তিনি।

 

লতাচপলী ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ সংগঠনিক সম্পাদক মো নাসির উদিন বিপ্লব বলেন, সমুদ্র থেকে আহরিত মাছ ভোক্তার কাছে পৌঁছে দিতেই এই অবতরণ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। এক ছাদের নিচে ট্রলার মালিক, জেলে, আড়ৎদার, পাইকারসহ সকলেই মাছ ক্রয়-বিক্রয় করতে পারবে। আর এ থেকে সরকার পাবে রাজস্ব।

 

আলিপুর ও কুয়াকাটা মৎস্য সমবয় সমিতির সভাপতি মো. অনাছার উদ্দিন মোল্লা বাংলা টাইমসকে বলেন, মহিপুর এবং আলিপুরে দুটি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র নির্মাণ করেছে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন। এক যোগে এ দু’টি অবতরণ কেন্দ্র উদ্ভোধন হবে। এর ফলে মহিপুর ও আলিপুরে শিববাড়িয়া নদীর দুই পাড়ে এখন উৎসব মুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট