1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Editor :
চাকরি করেন সিলেটে, আমেরিকায় বসে বেতন নেন জেসমিন - বাংলা টাইমস
বৃহস্পতিবার, ০১ জুন ২০২৩, ১০:৪০ অপরাহ্ন

চাকরি করেন সিলেটে, আমেরিকায় বসে বেতন নেন জেসমিন

বিশেষ প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১৫৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন আমেরিকায়। আর সেখানে বসেই চাকরি করছেন সিলেটে। এমনকি ব্যাংক থেকে বেতন উত্তোলন করছেন তিনি।

 

জানা গেছে, সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়নের দক্ষিণ রায়গড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জেসমিন সুলতানা। ২০১৫ সাল থেকে তিনি দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকায় স্বপরিবারে বসবাস করছেন। এমন অভিযোগ এনে জেলা শিক্ষা অফিসে লিখিতভাবে জানিয়েছে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ২১ এপ্রিল রায়গড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে জেসমিন সুলতানা যোগদান করেন। এরপর ২০১৫ সালের ১২ নভেম্বর থেকে ৫ বছর ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন তিনি। বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার পরও তিনি নিয়মিত বেতন ভাতা উত্তোলন করে আসছেন।

 

২০১৭ সালের ১৫ জানুয়ারি ও ২০১৮ সালের ৫ সেপ্টেম্বর জেসমিন সুলতানা সোনালী ব্যাংক ঢাকাদক্ষিণ শাখা থেকে মোট ৪ লাখ টাকা উত্তোলন করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

 

এদিকে, অভিযোগের পর জেলা শিক্ষা অফিস থেকে বিষয়টি তদন্ত করার জন্য বিয়ানীবাজার উপজেলা শিক্ষা অফিসার রুমান মিয়াকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিদ্যালয়ে তদন্তে আসেন।

 

এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা রুমান মিয়া বলেন, বিদ্যালয়ের সব শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের বক্তব্য শুনেছি এবং বিদ্যালয়ের খাতাপত্র দেখেছি। প্রধান শিক্ষক জেসমিন সুলতানা বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির তার সত্যতা পেয়েছি। এ সংক্রান্ত রিপোর্ট উধ্বর্তন কতৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।

 

এদিকে, জেসমিন সুলতানার বড় ভাই রায়হান আহমদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, জেসমিন সুলতানা স্বামীর আবেদনে প্রেক্ষিতে ভিসা পেয়ে স্বপরিবারে আমেরিকাতে বসবাস করছেন।

 

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আজিজুর রহমান খান জানান, তথ্যমতে প্রধান শিক্ষিকা জেসমিন সুলতানা যোগদান করার পর থেকে মাঝেমধ্যে স্কুলে আসতেন। তিনি প্রতিষ্ঠানের কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, হাজিরা খাতা ও স্লিপের টাকা নিয়ে প্রায় ৫ বছর ধরে লাপাত্তা। তবে ২০১৭ সালে এসে ব্যাংক থেকে সরকারি বেতন উত্তোলন করার সময় কয়েকদিন বিদ্যালয়ে এসেছিলেন।

 

এ ব্যাপারে এ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিয়তী রাণী চন্দ জানান, প্রধান শিক্ষিক অনুপস্থিতির বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে অনেক আগে জানানো হয়েছে। এছাড়াও প্রধান শিক্ষিকা জেসমিন বেগম আমাকে চাপ প্রয়োগ করে গ্রান্টার করে টাকা ঋণ উত্তোলণ করেছিলেন। কিন্তু এখন নিয়মিত কিস্তি না দেওয়ায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আমাকে চাপ দিচ্ছে।

 

গোলাপগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার দেওয়ান নাজমুল আলম বলেন, জেসমিন সুলতানা কয়েক বছর আগে তৎকালীন শিক্ষা অফিসারের কাছ থেকে তিন মাসের চিকিৎসাজনিত ছুটি নিয়েছিলেন। এখন তিনি কোথায় আছেন আমার জানা নেই।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট