1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Editor :
বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২, ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশ ::
...Welcome To Our Website...

সুন্দরগঞ্জে দুই সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর পাঠদানে অনিশ্চয়তা

সফিকুল ইসলাম রাজা, গাইবান্ধা
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৬৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ক্লাশ-পরীক্ষার পরিবেশ তৈরি করতে চলছে নানা প্রস্ততি। করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবান্ধব পরিবেশ তৈরিতেও চলছে নানা কর্মকান্ড। তবে বন্যার কারণে পাঠদানের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে ১৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়।

 

বানের পানিতে তলিয়ে থাকায় এসব বিদ্যালয়ে পাঠদানের উপযোগী পরিবেশ নেই। এতে ক্লাশ-পরীক্ষা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে ২ হাজার ৬৯৬ জন কোমলমতি শিক্ষার্থী।উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ২৫৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫৩ হাজার। এরমধ্যে চরাঞ্চলে প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে ৩১টি।

 

চরাঞ্চলের তিন ইউনিয়নের ১৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বানের পানিতে তলিয়ে থাকায় ওইসব বিদ্যালয়ের ২ হাজার ৬৯৪ শিক্ষার্থীর পাঠদানে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।বন্যার ক্ষতিগ্রস্থ বিদ্যালয়গুলো হলো- হরিপুর ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্থ ৫টি বিদ্যালয়ের মধ্যে- মাদারী পাড়া সপ্রাবি, শিক্ষার্থী ৫০০ জন, চর হরিপুর সপ্রাবি, শিক্ষার্থী ৩০০ জন, হরিপুর সপ্রাবি, শিক্ষার্থী ২০০ জন, পাড়া সাদুয়া সপ্রাবি, শিক্ষার্থী ১৫০ জন ও পূর্ব লখিয়ার পাড়া সপ্রাবি, শিক্ষার্থী ২০০ জন।কাপাসিয়া ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্থ ৮টি বিদ্যালয়ের মধ্যে- চর কাপাসিয়া সপ্রাবি, শিক্ষার্থী ৭৭ জন, চর কাপাসিয়া ২নং সপ্রাবি, শিক্ষার্থী ৯৯ জন, চর পুর্ব লালচামার সপ্রাবি, শিক্ষার্থী ১২৫ জন, উজান বুড়াইল সপ্রাবি, শিক্ষার্থী ৬২ জন, ভাটি বুড়াইল সপ্রাবি, শিক্ষার্থী ৮০ জন, চর ভাটি বুড়াইল সপ্রাবি, শিক্ষার্থী ৬১ জন, বোচাগাড়ী সপ্রাবি, শিক্ষার্থী ৭২ জন ও বোচাগাড়ী ভূইয়া সপ্রাবি, শিক্ষার্থী ১৭২ জন।বেলকা ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্থ ৩টি বিদ্যালয়ের মধ্যে- চর বেলকা সপ্রাবি, শিক্ষার্থী ১২৮ জন, শ্যামরায়ের পাঠ সপ্রাবি, শিক্ষার্থী ২৮৭ জন ও মহিষবান্দি সপ্রাবিঃ, শিক্ষার্থী ১৮১ জন।

 

ক্লাস্টার ও সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. শহিদুল্লাহ প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের জন্যই আমরা কাজ করি। কিন্তু তারাই বিদ্যালয়ে আসতে পারছিলো না। দীর্ঘদিন পর এখন বিদ্যালয় খুলছে। এটা আমাদের জন্য খুবই একটা ভালো খবর।

 

তিনি আরও বলেন, যারা শিশু শ্রেণিতে ছিলো তারা কোনো ধরণের পরিক্ষায় অংশগ্রহণ বা বিদ্যালয়ে না এসেই এখন দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ছে। তো আমরা যখন হোম ভিজিট করি তখন আসলে তাদেরকে দেখে খুবই খারাপ লাগে। এই শিশুরা বিদ্যালয়ের সুবিধা থেকে বঞ্চিত। অপর এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, সরকারি নির্দেশনা পেয়েও যদি বন্যার কারণে বিদ্যালয় চালাতে না পারি সেটা হবে আরও অনেক বেদনার এবং কষ্টের।’

 

উপজেলা শিক্ষা অফিসার এ.কে.এম হারুন-উর-রশিদ বাংলা টাইমসকে বলেন, ‘বন্যাকবলিত ১৬ প্রতিষ্ঠান ছাড়া বাকি সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ প্রস্তত। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনেই এ প্রতিষ্ঠানগুলো চালু করা হবে ইন্শআল্লাহ। কারণ সে নির্দেশনা আমরা অনেক আগেই দিয়েছি এবং তা মনিটরিংও করছি। অপর এক প্রশ্নের জবাবে এ কর্মকর্তা বলেন, “ব্যাপক তৎপর আমরা বন্যাকবলিত ১৬ প্রতিষ্ঠান নিয়ে। ১১ সেপ্টেম্বরের আগে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে আশাকরছি পানি নেমে যাবে। তা নাহলে বিকল্প ব্যবস্থায় ক্লাশ-পরীক্ষা চালুর করা হবে। সে ব্যবস্থাও আমাদের আছে “

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট