1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Editor :
পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে ৩ শতাধকি গাড়ি - বাংলা টাইমস
শুক্রবার, ০১ জুলাই ২০২২, ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন

পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে ৩ শতাধকি গাড়ি

শরীয়তপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৫৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

পদ্মা ও মেঘনা নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই সাথে নদীতে স্রোতের তীব্রতাও বেড়েছে। স্রোতের কারনে চাঁদপুর-শরীয়তপুর নৌপথে ফেরি চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। স্বাভাবিক ভাবে ফেরী চলাচল না করতে পারায় নদীর উভয় পাশে জানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে ৩ শতাধকি গাড়ি।

 

বাংলাদেশ অভ্যন্তরিন নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) সূত্র জানায়, চাঁদপুর-শরীয়তপুর নৌ-পথে যানবাহন পারাপারের জন্য ৭টি ফেরি রয়েছে। এর মধ্যে ১টি ফেরি বোলগ্যাট এর সাথে ধাক্কা লেগে বিকল হয়ে রয়েছে। মেরামতের কাজ চলছে। মেঘনা নদীতে স্রোত বৃদ্ধি পাওয়ায় ফেরি কিশোরী, কামিনি ও কস্তুরি স্রোতের বিপরিতে চলাচল করতে সমেস্যায় পড়ছে। শরীয়তপুরের নরসিংহপুর থেকে ফেরিগুলো ৫ কিলোমিটার উজানে গিয়ে চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে পাড়ি দিতে হয়। এতে দুই থেকে আড়াই ঘন্টা সময় বেশী লাগে। স্বাভাবিক ফেরী পারাপার অব্যাহত থাকলে প্রতিদিন ৫ শতাধিক গাড়ি পারাপর করা সম্ভব ছিল। নদীতে স্রোত বাড়ায় দিনে ৩০০ গাড়ি পারাপার করতে হিমসিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

 

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাথে চট্রগ্রাম ও সিলেট বিভাগের যাত্রি এবং পন্যবাহি পরিবহন চাঁদপুর-শরীয়তপুর রুটের হরিনা-আলুবাজার নৌপথ ব্যবহার করেন। সম্প্রতি নির্মাণাধিন পদ্মা সেতুর পিলারে ফেরির ধাক্কা লাগায় বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌপথে ফেরি চলাচলে বন্ধ থাকায় চাঁদপুর-শরীয়তপুর রুটে যানবাহনের চাপ বেড়েছে।

 

ফেরি ঘাটে আটকে পড়া ট্রাক চালক আব্দুর রহিম বলেন, দৌলদিয়া-পাটুরিয়া ঘাটে যানজট। বাংলাবাজার-শিমুলিয়া ঘাট থেকে ফেরি ছাড়ছে না। তাই নরসিংহপুর আলুবাজার ঘাট হয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হই। এখানেও স্রোতের তীব্রতার কারনে ফেরি চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। কখন ফেরিতে উঠতে পারব তা বুঝতে পারছি না। আল্লাহই জানেন আমাদের এ দুর্ভোগের শেষ কোথায়।

 

ফেরি কিশোরীর চালক গোলাম সারওয়ার বলেন, প্রচন্ড স্রোতের কারনে ফেরি চালাতে পারছিনা। দিনের বেশির ভাগ সময়ই ঘাটে বসে থাকতে হচ্ছে। জোয়ারের সময় নদীতে পানি বৃদ্ধি পেলে স্রোত কিছুটা কমে আসে। তখন ফেরি চালাতে পারি।

 

ঘাটের ইজারাদার জিতু মিয়া বেপারী জানায়, দেশের দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের ঢাকা ও চট্রগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াতের জন্য পদ্মা ও মেঘনা নদীর ফেরিঘাটগুলো গুরুত্বপূর্ন। এ নৌপথে অনেক পুরাতন দুর্বল ফেরি চলাচল করে। যার কারনে বর্ষা আসলেই ফেরি চলালে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়।

 

বিআইডব্লিউটিসির নরসিংহপুর ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক আব্দুল মোমেন বাংলা টাইমসকে বলেন, স্রোতের কারনে ফেরি চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। প্রতি ৬ ঘন্টা পরপর জোয়ার-ভাটা হয়। ভাটার সময় নদীতে স্রোত বেশি থাকায় ফেরি চলাচল করতে পারে না। তাই এই রুটের ৬টি ফেরি চলাচল করলেও জোয়ারের সময় ফেরি চালাতে কষ্ট হয়ে যায়। এজন্য গাড়ি আটকা পড়ে। চারটি ফেরি উজানে গিয়ে মেঘনা পাড়ি দিতে হয়।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট